‘ধামাকার’ মালিকদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে মামলা|314548|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২৩:০৪
‘ধামাকার’ মালিকদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে মামলা
অনলাইন ডেস্ক

‘ধামাকার’ মালিকদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে মামলা

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকার বিরুদ্ধে প্রায় ১১৬ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।

বৃহস্পতিবার সিআইডির পক্ষ থেকে সহকারী পুলিশ সুপার আল আমিন বাদী হয়ে বনানী থানায় মুদ্রা পাচার আইনে মামলাটি করেন।

বনানী থানার ওসি নূরে আজম মিয়া বলেন, ধামাকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসীম উদ্দিন চিশতীসহ ছয়জন এবং তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলাটি করা হয়েছে।

ধামাকার মালিকানা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোট্রেড গ্রুপ, সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম লিমিটেড এবং ইনভেরিয়েন্ট টেকনোলজি লিমিটেড- এ তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বাকি আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জসীম উদ্দিনের স্ত্রী ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদা রোকসানা খানম, জসীম উদ্দিনের ছেলে একই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান তাশফির রেদোয়ান চিশতী, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিমউদ্দীন আসিফ, পরিচালক মাশফিক রেদোয়ান চিশতী ও পরিচালক সাফওয়ান আহমেদ।

সিআইডি সূত্র জানায়, জসীম উদ্দিন ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড চালানোর জন্য ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর থেকে ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার, টেলিকম সিস্টেমস, স্মার্টফোন,আইপি ফোন, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, কমিউনিকেশন আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার নামে নিবন্ধন নেন। গত বছর অক্টোবর থেকে অর্থ আত্মসাৎ করার জন্য ‘ধামাকা শপিং’ নামে অবৈধভাবে ই–কমার্স ব্যবসা চালু করেন তিনি। 

অনুসন্ধানে সিআইডি জানতে পারে, এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ করার জন্যই ধামাকা শপিং নাম ব্যবহার করে। ইনভেরিয়েন্ট টেলিকমের সঙ্গ সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা ধামাকা শপিংয়ের নামে কোনো অনুমোদন, নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, বিআইএন, ব্যাংক হিসাব বা দালিলিক ভিত্তি ছাড়াই প্রতারণার উদ্দেশ্যে ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করেন। এতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে নিরীহ জনসাধারণের অর্থ আত্মসাৎ করাই ছিল প্রতারক চক্রটির মূল উদ্দেশ্য।

গত বছরের নভেম্বর মাসে যাত্রা শুরুর পর ধামাকা গাড়ি, বাইকসহ বিভিন্ন পণ্যে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়ের ঘোষণা দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম হিসেবে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে নেয়। মার্সিডিজ বেঞ্জসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গাড়িতে ৩৫ শতাংশ ছাড়ের অফারও দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।