মেয়র পদে আ.লীগের ৫ বিএনপির ২ প্রার্থী|315554|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন
মেয়র পদে আ.লীগের ৫ বিএনপির ২ প্রার্থী
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

মেয়র পদে আ.লীগের ৫ বিএনপির ২ প্রার্থী

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর ছড়াছড়ি। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী। তবে দলটির আরও চারজন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুর নেওয়াজ মোবাইল ফোন প্রতীকে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক রেল ইঞ্জিন প্রতীকে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ক্যারম বোর্ড প্রতীকে এবং পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন নিউটন জগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। দলের সিদ্ধান্ত না মেনে নির্বাচনে থাকায় ইতিমধ্যে এই চার বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

অন্যদিকে দলীয়ভাবে পৌরসভা নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিএনপির দুই নেতা মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এফএসএম মোফাখখারুল আলম বাবু চামুচ প্রতীকে এবং পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সরকার ফরিদুল ইসলাম নারিকেল গাছ প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

এর বাইরে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন আরও দুজন। এরা হলেন, দৈনিক যুগান্তরের সহ-সম্পাদক জাকারিয়া ইবনে ইউসুফ ইস্ত্রি মেশিন প্রতীকে এবং মাসুদ পারভেজ কম্পিউটার প্রতীকে।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নূর নেওয়াজ বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগ আমাকে কী বহিষ্কার করবে? আমি তো জন্মগতভাবে আওয়ামী লীগ করি। এ পৌরসভার সীমানা জটিলতা থেকে শুরু করে পৌরসভা কার্যক্রমের জন্মলগ্ন থেকে আমি পৌরবাসীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।’

বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ‘আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর জনসমর্থন নেই। আমি গত ১০ বছর ধরে মাঠ গুছিয়েছি, নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচার চালাচ্ছি। আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হতে পারবে না।’

আরেক প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘আমার কাছে দল বড় না, এখানকার মানুষ আমার কাছে বড়।’

আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থী মান অভিমান করে দাঁড়ায়। এটা আমার কাছে তেমন কোনো বিষয় নয়। সরকারদলীয় প্রার্থী ছাড়া কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়এটা জনগণ বুঝে গেছে। এ কারণে পৌরবাসী ২০ সেপ্টেম্বর আমাকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।’

দেবীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ও দেবীডুবা ইউনিয়নের কিছু অংশ নিয়ে ২০১৪ সালে গঠিত দেবীগঞ্জ পৌরসভায় প্রথমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পৌরসভায় মোট ভোটার ১০ হাজার ৯১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৩৩৬ এবং নারী ৫ হাজার ৫৭৮ জন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. এরশাদুল হক ভুঁইয়া জানান, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় দেবীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৯ জন, কাউন্সিলর পদে ৬৩ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।