সুখ ফেরাতে হোম অফিস বন্ধের দাবি|315573|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০
সুখ ফেরাতে হোম অফিস বন্ধের দাবি
রূপান্তর ডেস্ক

সুখ ফেরাতে হোম অফিস বন্ধের দাবি

করোনা মহামারী বদলে দিয়েছে মানুষের জীবনাচার। পরিবর্তিত সেই জীবনব্যবস্থার সঙ্গে মানুষকে খাপ খাইয়ে চলতে হচ্ছে। সেই সঙ্গে অফিসের কাজেও এসেছে পরিবর্তন। অনেক প্রতিষ্ঠান চালু করেছে বাসা থেকে অফিস। বাসায় বসে কাজ করাকে অনেকে উপভোগ করলেও কেউ কেউ আবার পড়েছেন বিপত্তিতে। ভারতে এক নারী স্বামীকে বাসায় বসে অফিস করা দেখে দেখে হাঁপিয়ে উঠেছেন। তাই স্বামীকে অফিসে ফেরাতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের কাছে লিখেছেন চিঠি। সেখানে তিনি লিখেছেন, দাম্পত্য জীবনে সুখ ফিরিয়ে আনতে এটা দরকারি।

গত সোমবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই গৃহবধূ যার কাছে চিঠি লিখেছেন, তার নাম হর্ষ গোয়েঙ্কা। তিনি ভারতের নামকরা প্রতিষ্ঠান আরপিজি এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান। হর্ষের উদ্দেশে চিঠিতে ওই নারী আরও লিখেছেন, ‘আপনার কাছে বিনীত নিবেদন, বাড়িতে বসে অফিস আর কিছুদিন অব্যাহত থাকলে আমাদের বিয়ে নিশ্চিতভাবে টিকবে না।’ বাড়িতে বসে স্বামীর অফিসের কাজ করা বিষয়ে এত বিতৃষ্ণার কারণও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন স্ত্রী।

তিনি লিখেছেন, তার স্বামী দিনে ১০ বার কফি পান করেন। অফিস করার সময় বাসায় সব কক্ষে আলো জ¦ালানো থাকে এবং কক্ষগুলো অগোছালো থাকে। এছাড়া বারবার খাবারের আবদার তো আছেই। চিঠির শেষ লাইনগুলোয় ওই নারী লিখেছেন, ‘আমাকে ইতিমধ্যে দুটি সন্তানের দেখাশোনা করতে হয়। তাই আমাদের সংসারে শান্তি ফিরিয়ে আনতে আপনার সহযোগিতা চাই।’

হর্ষ গোয়েঙ্কাই ওই চিঠির তথ্য শেয়ার করেছেন। তিনি ওই কর্মীর নাম মনোজ বলে জানিয়েছেন। টুইট বার্তায় হর্ষ লিখেছেন, ‘চিঠির উত্তর আমি এখন কীভাবে দেব, বুঝতে পারছি না।’ হর্ষের ওই টুইট মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। আর্ট কালচার ফেস্টের প্রতিষ্ঠাতা শ্রেয়সী গোয়েঙ্কা বলেছেন, ‘হা হা হা, এই আবেদন কি বৈধ?’ আরেকজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘সংসার চালানোর ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা।’ অরূপ দত্ত নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘নারীদের বাড়িতে থেকে কাজের সুযোগ দেওয়া অনেক বেশি ভালো ধারণা বলে আমি মনে করি।’

এ ঘটনা শুধু ভারতেই নয়, আরও অনেক দেশে হোম অফিস বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। তবে এসব ক্ষেত্রে সাংসারিক অশান্তির জায়গায় আর্থিক ক্ষতির বিষয়টিই তুলে ধরা হয়েছে বেশি। অনেক প্রতিষ্ঠানই হোম অফিসের কারণে কর্মচারীর বেতন কমিয়ে দিয়েছে।