ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের ফোনালাপ ফাঁসের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ|315939|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:১৮
ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের ফোনালাপ ফাঁসের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষের ফোনালাপ ফাঁসের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।

অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুল ও প্রতিষ্ঠানটির অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটিকে এই নির্দেশনা দিয়েছে আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের করা সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

গত ২৬ জুলাই দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় ‘আমি কিন্তু বালিশের নিচে পিস্তল রেখে ঘুমাতাম’শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুল এবং অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর ফোনালাপে অধ্যক্ষের আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের বিষয়টি উঠে আসে। ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ ও ওই ব্যক্তির ফোনালাপ ফাঁসের  ঘটনার পর সমালোচনার ঝড় উঠে। কামরুন নাহার মুকুলের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়ে অধ্যক্ষ হিসেবে কামরুন্নাহার মুকুলের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা রিট আবেদন করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম। এতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায়  বিবাদীদের ব্যর্থতা এবং নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না- এ মর্মে রুল চাওয়া হয়।

গত ৯ আগস্ট প্রাথমিক শুনানির পর ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কি পদক্ষেপ নিয়েছে এক মৌখিক আদেশে তা জানতে চায় হাইকোর্ট। পরদিন ১০ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে এই বলে অবহিত করেন যে, এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু করোনা সংক্রমণ এবং লকডাউনের কারণে তদন্তের এখনো অগ্রগতি নেই। কমিটি যে প্রতিবেদন দেবে তার ওপর ভিত্তি করে সরকার ব্যবস্থা নেবে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল বিষয়টি ফের শুনানির জন্য আসে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া রাসেল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) বিপুল বাগমার।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিপুল বাগমার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আদালতে বলেছি, প্রাথমিক তদন্ত হচ্ছে। পূর্ণ তদন্ত হতে আরও সময়ের প্রয়োজন। আদালত আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন।’