সিনহা হত্যা মামলা: ৩ জনের তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ|316764|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৯:৪৫
সিনহা হত্যা মামলা: ৩ জনের তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
কক্সবাজার প্রতিনিধি

সিনহা হত্যা মামলা: ৩ জনের তৃতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার তৃতীয় দফায় প্রথম দিনের ৩জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে তাদের টানা সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।

যাদের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে তারা হলেন- টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর গ্রামের মৃত ফজল করিমের ছেলে আবদুল হামিদ, মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. ফিরোজ ও মৃত সৈয়দ করিমের শওকত আলী।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে এ সাক্ষ্য নেয়া হয়। তৃতীয় দফায় মোট ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত। এ সাক্ষী চলবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ ঘটনায় গত বছর ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলার তদন্ত ভার দেয়া হয় র‌্যাবকে।

ঘটনার ৬ দিন পর ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতসহ ৭ পুলিশ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।

ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করে।

পুলিশের করা মামলার ৩ সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় টেকনাফ থানা-পুলিশের সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে। সর্বশেষ গত ২৪ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব।

গত বছর ১৩ ডিসেম্বর র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এতে সাক্ষী করা হয় ৮৩ জনকে।