প্রতিপক্ষহীন নির্বাচনে সহিংসতা, নিহত ৩|316855|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০
প্রতিপক্ষহীন নির্বাচনে সহিংসতা, নিহত ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিপক্ষহীন নির্বাচনে সহিংসতা, নিহত ৩

বিচ্ছিন্নভাবে কিছু জায়গায় সহিংসতা, অনিয়ম, গোলযোগ, বর্জন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে প্রথম ধাপের আটকে থাকা ১৬০ ইউনিয়ন পরিষদ ও ৯ পৌরসভার ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশনের ওপর অনাস্থা জানিয়ে বিরোধী দল বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ভোটের মাঠে একচেটিয়া অবস্থানে ছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। তারপরও গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত অনেকটা প্রতিপক্ষহীন এ নির্বাচনে ঝরেছে তিনটি প্রাণ। এর মধ্যে গতকাল ভোটগ্রহণ চলাকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভোটকেন্দ্রের বাইরে গোলাগুলিতে একজন, কুতুবদিয়ায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলযোগ ঠেকাতে পুলিশের ছোড়া গুলিতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা এবং বাগেরহাটের মোংলায় গত রবিবার ভোটের আগের রাতে প্রতিপক্ষের হামলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এর বাইরে ভোটের সহিংসতায় আহত হয়েছেন অনেকে। এছাড়া জালভোট, কারচুপি ও ব্যালট ছিনতাইসহ ভোটগ্রহণে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও পাওয়া গেছে। যদিও স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন এবং নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিকে ভোটের দিন মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুটি কেন্দ্রকে ঘিরে দুজনের প্রাণহানি ছাড়া অন্যসব জায়গায় নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসি। আর নির্বাচনী সংহিসতার জন্য প্রার্থীদের ‘অতি আবেগ’কে দায়ী করেছে কমিশন। আওয়ামী লীগ নেতারাও গতকালের ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তারা বিএনপিকে জনবিচ্ছিন্ন না থেকে নির্বাচনমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘তৃণমূলের নির্বাচনে যে সহিংসতা হয়েছে সেটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এটা রাজনৈতিক কারণে ঘটেনি। একসঙ্গে এতগুলো জায়গায় নির্বাচন হয়েছে, সেখানে আমরা বলব যে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।’

বিএনপির নির্বাচনে অংশ না নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে না এলেও তারা বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা ঘটানোর চেষ্টা করেছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি।’ একই সঙ্গে তিনি বিএনপিকে জনবিচ্ছিন্ন না থেকে নির্বাচনমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নিহত ২ : বিক্ষিপ্ত কিছু সহিংসতার মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মহেশখালী পৌরসভা এবং চার উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে প্রথম ধাপের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজুম ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে চেয়ারম্যান প্রার্থী নৌকা প্রতীকের শেখ কামাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী মোশাররফের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবুল কালাম (৩২) নামে একজন মারা যান। এ ঘটনার পর ওই কেন্দ্র এক ঘণ্টা বন্ধ রেখে পরে আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

নিহত আবুল কালাম স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক ছিলেন। মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই বলেন, ‘আহত অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবুল কালামের মৃত্যু হয়।’

অন্যদিকে দুপুরে কুতুবদিয়ার বরঘোপ ইউনিয়নের তিলককাটা প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে দুপক্ষকে থামাতে পুলিশ গুলি ছোড়ে। এতে আবদুল হালিম (৪২) নামে নৌকা প্রতীকের এক এজেন্ট নিহত হন। আহত হন তিনজন।

নিহত আবদুল হালিম বড়ঘোপ ইউনিয়নের গোলজারপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে এবং বড়ঘোপ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

কুতুবদিয়া থানার ওসি মো. ওমর হায়দার বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার সময় আবদুল হালিম নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক ছিলেন।’

টেকনাফের হোয়াইকং ইউনিয়নের লম্বাবিল মাদ্রাসা কেন্দ্র ও উনচিপ্রাং কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ লোকজন সড়ক অবরোধ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় কেন্দ্রের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটসহ প্রিসাইডিং অফিসারকে দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষোভকারীরা। পরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসে কর্মকর্তাদের উদ্ধার করেন। এরপর রিটার্নিং অফিসার ওই দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেন।

মোংলায় সহিংসতায় নারী নিহত : বাগেরহাটের মোংলায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন চারজন।

পুলিশ কর্মকর্তারা এবং নিহতের স্বজন মহসিন ও মোয়াজ্জেম মোড়ল জানান, চাঁদপাই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চাঁদপাই গ্রামের মেম্বার প্রার্থী ও বর্তমান মেম্বার মতিয়ার রহমান মোড়লের (৬০) ওপর গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হামলা চালায় অন্য মেম্বার প্রার্থী শফিকুল শেখের (৩৫) লোকজন। এ সময় শফিকুলের লোকজনের হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যান ফাতেমা বেগম (৬৫)।

এছাড়া গুরুতর আহত হন বর্তমান মেম্বার ও মেম্বারপ্রার্থী মতিয়ার রহমান মোড়ল, বোরহান শেখ (৩৫), ইস্রাফিল শেখ (২৭) ও আউয়াল মোড়ল (৪০)।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে আনার পর আমরা ফাতেমা বেগমকে মৃত পাই। নিহতের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

মতিয়ার মেম্বার বলেন, ‘আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় প্রতিপক্ষ প্রার্থী শফিকুল ও তার লোকজন। এতে আমার একজন সমর্থক নারী নিহত ও আমিসহ চারজন আহত হয়েছি।’

এ প্রসঙ্গে প্রতিপক্ষ সফিকুল শেখ বলেন, ‘মতিয়ার মেম্বার টাকা বিলি করছিল, তখন আমরা তাকে বাধা দিই। আর যিনি মারা গেছেন, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন।’

মোংলা থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে, তবে কীভাবে ওই নারী মারা গেছেন তা ডাক্তার বলবে।’

ফিঙ্গার দিচ্ছে ভোটার, ভোট দিচ্ছে প্রার্থীর এজেন্ট : ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার পর ভোটারকে দাঁড় করিয়ে রেখে নৌকার এজেন্ট বুথে ঢুকে ভোট দিচ্ছে। মেয়র পদে নৌকা ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট না থাকায় বিনা বাধায় পোলিং ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তার উপস্থিতিতে নৌকা প্রতীকের বাটন চাপছে এজেন্ট। গতকাল সকালে ভোট শুরুর পর ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ছাবের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, এনায়েত উল্যা মহিলা কলেজ কেন্দ্র, সোনাগাজী প্রি-ক্যাডেট কেন্দ্র এবং উত্তর চরছান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এমন চিত্র দেখা গেছে। ৬নং ওয়ার্ডে তুলাতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে কয়েকজন ভোটারের ভোট দেওয়ার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে নাজেহাল হন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খোকন। একই কেন্দ্রে ভোটারের ভোট অন্য ব্যক্তি দেওয়ার দৃশ্য দেশ রূপান্তর প্রতিনিধির নজরে এলে কেন্দ্রে কর্তব্যরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুজ্জান তাকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন এবং ৪০০ মিটার দূরে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করতে বলেন।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু নাসের জানান, কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। বহিরাগত কিছু লোক কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। সোনাগাজী পৌরসভায় ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোয় ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে পারেনি।

৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ইমাম উদ্দিন ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, বাইরে নিরাপত্তা জোরদার থাকলেও কেন্দ্রের ভেতরে একজনের ভোট অন্যজন দেয়। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টসহ অন্য এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেয় আওয়ামী লীগ সমর্থিত বহিরাগতরা।

এই ওয়ার্ডের আল-হেলাল কেন্দ্রের বাইরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ইমাম উদ্দিন ভূঁইয়ার সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবদুল হালিম সোহেল সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

উত্তর চরছান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় মেয়র পদে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফেজ হিজবুল্লাহকে নাজেহাল করে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা।

হাতিয়ায় দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার আটক : গতকাল দুপুরে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের হাতিয়া ইউনিয়ন মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে জালভোট দেওয়ার অভিযোগে দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে আটক করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী।

আটকরা হলেন হরণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান এবং চৌমুহনী আরাফিয়া সিনিয়র আলিয়া মাদ্রাসার সহকারী মৌলবি ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের নির্দেশনা চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত পেলে আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে হাতিয়ায় চার চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোটের দিন দুপুরে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। তারা হলেন জিয়া আলী মোবারক কল্লোল (নৌকা), সিরাজুল ইসলাম (নৌকা), নুরুল ইসলাম মালেসিয়া (মোটরসাইকেল), আবদুল হালিম আজাদ (আনারস)। এর আগের দিন মেহেরাজ উদ্দিন (মোটরসাইকেল) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

নোয়াখালীতে ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন : ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকা এবং ভোটারদর হুমকির অভিযোগে নোয়াখালীর হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, জাহাজমারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এটিএম সিরাজ উদ্দিন, চরঈশ্বর ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ (আনারস), সোনাদিয়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী (মোটরসাইকেল) নুরুল ইসলাম ও নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী (মোটরসাইকেল) মেহেরাজ উদ্দিন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

খুলনায় বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ : বৈরী আবহাওয়া, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, ভোটকেন্দ্র স্থগিত ও বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনার মধ্য দিয়ে খুলনা জেলার পাঁচ উপজেলার ৩৪টি ইউপিতে প্রথম ধাপের নির্বাচন হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টায় তুমুল বৃষ্টির মধ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সকালে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন দেশ রূপান্তরের সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা