টলিউডের নায়িকাদের কপালে ভাঁজ ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশের তিন অভিনেত্রী|316990|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২২:৩৭
টলিউডের নায়িকাদের কপালে ভাঁজ ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশের তিন অভিনেত্রী
অনলাইন ডেস্ক

টলিউডের নায়িকাদের কপালে ভাঁজ ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশের তিন অভিনেত্রী

সংস্কৃতির সীমানা থাকে না। ভাষার সঙ্গে এর সম্পর্ক জোরালো হলেও তা টেকে না অনেক ক্ষেত্রে। তা না হলে হলিউড, বলিউড, কলকাতা, ঢাকা এই বিনিময়গুলো ঘটতো না। ঢাকাই শোবিজের অনেক নায়িকারা কাজ করছেন, টালিউডে। এ নিয়ে নানা গুঞ্জন চলে, বলা হয় টালিউডের নায়িকারা হয়তো এই বিষয়টাকে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে না। সেই বিষয়টাকে ধরেই আনন্দবাজার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, আসলে সত্যিকার মনোভাবটা কি?

জয়া আহসান প্রথম বাংলাদেশি অভিনেত্রী, যিনি টলিউডকে ‘আবর্ত’, ‘রাজকাহিনী’, ‘বিসর্জন’, ‘বিজয়া’, ‘কণ্ঠ’, ‘বিনিসুতোয়’র মতো সিনেমাগুলো উপহার দিয়েছেন। এরপরেই দর্শকপ্রিয়তার জায়গা নিয়েছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ় ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’তে আজমেরী হক বাঁধন। তাকে নিয়ে কাজের পরিকল্পনা করছেন অনেক পরিচালকই। এরপরেই আছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা তিনি রাজর্ষি দে পরিচালিত ‘মায়া’, রিঙ্গোর ছবি ‘আ রিভার ইন হেভন’ এ কাজ করছেন।

যে ধরনের ছবিতে এই নায়িকারা অভিনয় করেন, সেই জায়গায় আগে বেশি দেখা যেত পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রাইমা সেনদের।

মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির চাহিদা কমে যাওয়ায় শুভশ্রী, শ্রাবন্তী, মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহানেরাও অন্য ধারার ছবির দিকে ঝুঁকেছেন।

বাংলাদেশি নায়িকাদের বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে এমনই ক্ষোভ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নায়িকা। তিনি বলেন, ‘এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেওয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত।’

জয়া অবশ্য এই বিষয়ে ভাবতে রাজি নন। তার মতে, কাজের সুযোগ সকলেরই আছে। তিনি বলেন, সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা তো ভালোই। আমার মতে শিল্পের কোনো সীমারেখা থাকা উচিত নয়।

মিথিলা বলেন, কেউ কারও কাজ, জায়গা কেড়ে নিতে পারে বলে মনে হয় না। সকলেই নিজের যোগ্যতা দিয়ে কাজ পাচ্ছেন। আমি বৈবাহিক সূত্রে কলকাতায় থাকছি, তাই এখানেই কাজ করছি এখন। তবে আমি এখানে সদ্য কাজ শুরু করেছি।

আজমেরী হক বাঁধন মনে করেন, এই চর্চাগুলো অভিনেত্রীদের ওপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে। ‘অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ থেকে অভিনেত্রীরা এসে কাজ করায় টলিউডের কিছু অভিনেত্রীর মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আসলে আমাদের সমাজ এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে দেয়। বিশেষ করে মহিলাদের ওপরেই বেশি চাপ তৈরি করা হয়। কেন এই চাপগুলো আমাদের নিতে হবে? এগুলো এড়িয়ে সদর্থক দিকগুলো ভাবলে, সকলেরই ভালো হবে। সকলে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন।

কিন্তু পুরোপুরি বিপরীত ধারণা কলকাতার অনেক নায়িকার। আর একজন বলেন, বিনিময় হচ্ছে ভালো। তবে, বাংলাদেশি অভিনেত্রীরা যে সুবিধা এখানে পায়। বাংলাদেশে আমরা সেটি পাই না।