আস্থার প্রতিদান ফিজ-ত্যাগির|317213|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০
আস্থার প্রতিদান ফিজ-ত্যাগির
ক্রীড়া ডেস্ক

আস্থার প্রতিদান ফিজ-ত্যাগির

কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে মাত্র ২ রানের নাটকীয় জয় পেয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। আর সেই জয়ে বিশেষ অবদান ছিল মোস্তাফিজুর রহমানের। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কাটার মাস্টারের বোলিং ফিগার ৪-০-৩০-০। শুধু এই বোলিং ফিগার দেখে বোঝা যাবে না ফিজের গুরুত্ব। রাজস্থানের ১৮৫ রানের জবাবে খেলতে নামা পাঞ্জাবের শেষ ২ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৮ রান। তখনো তাদের হাতে ছিল ৮ উইকেট। ১৯তম ওভারে ফিজ বল করতে এসে দেন মাত্র ৪ রান। এরপর কার্তিক ত্যাগীর অসাধারণ শেষ ওভারে ২ রানের রোমাঞ্চকর জয় নিশ্চিত করেছে রাজস্থান। দুবাইয়ে মঙ্গলবার ইনিংসের প্রথম ওভারে ৪ রান দেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে দেন আরও ৪ রান। ইনিংসের ১৭তম ওভারে রাজস্থান অধিনায়ক তাকে তৃতীয় ওভারটা করতে দিলে ১৪ রান খরচ হয়ে ফিজের (নিকোলাস পুরানই ৪ ও ছক্কায় তুলে নেন ১৩)। ১৯তম ওভারে ফিজ ৪ রান দিয়ে নাটকের মঞ্চ প্রস্তুত রাখেন। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ১৯ বছর বয়সী ৩টা ডট বলের সঙ্গে তুলে নেন পুরান ও দীপক হুডার উইকেট।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন বলেছেন, ‘ম্যাচ জিতলে আসলে সব সিদ্ধান্তই সঠিক মনে হয়। আমি সব সময়ই বোলারদের ওপর আস্থা রাখি। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যেতে চাই। মোস্তাফিজের দুই ওভার রেখে দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম আমরা জিততে পারব ওখান থেকেও। অন্য কেউই ভাবেনি আমরা জিততে পারব। তবে আমাদের মধ্যে লড়াইয়ের কিছু বাকি ছিল। জানতাম, দুজন স্পেশাল বোলার শেষ দিকে বোলিং করবে আমাদের। মোস্তাফিজুর আর ত্যাগির ওভার রেখে দিয়েছিলাম তাই। ভেবেছিলাম, ক্রিকেটে তো যেকোনো কিছুই হতে পারে। চেষ্টা করে দেখিই না কী হয়।’ ম্যাচ জেতানোর পরে ত্যাগি বলছেন, ‘বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছি, টি-টোয়েন্টি এমন এক ধরনের ক্রিকেট, যেখানে প্রতি মুহূর্তে রং বদলাতে থাকে। তাই বিশ্বাস রাখতে হয়েছিল। আমি নিজেও তো যথেষ্ট খেলা দেখেছি। তাতে বুঝতে পেরেছি, এখানে অবাক করার মতো ঘটনা ঘটে। এবার আমি এই অবাক করার মতো ঘটনা ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিলাম।’

৮ ম্যাচে ৪র্থ জয় তুলে আত্মবিশ্বাসটা চাঙ্গা করতে পারল রাজস্থান। তাদের পরবর্তী ম্যাচ শনিবার, দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

রাজস্থান রয়্যালস : ২০ ওভারে ১৮৫/১০ (জয়সোয়াল ৪৯, মহিপাল ৪৩, লুইস ৩৬, লিভিংস্টোন ২৫। আর্শদিপ ৫/৩২, শামি ৩/২১)। পাঞ্জাব কিংস : ২০ ওভারে ১৮৩/৪ (আগারওয়াল ৬৭, রাহুল ৪৯, পুরান ৩২, মার্করাম ২৬*। ত্যাগি ২/২৯, তেওয়াটা ১/২৩, সাকারিয়া ১/৩১)।