ই-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ হচ্ছে|317255|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০
ই-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ হচ্ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ই-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ হচ্ছে

পণ্য বা সেবা বেচাকেনার অনলাইনভিত্তিক প্লাটফরম ই-কমার্স বাণিজ্যে শৃঙ্খলা ফেরানো ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ‘ই-কমার্স রেগুলেটরি অথরিটি’ গঠন করতে যাচ্ছে সরকার। পাশাপাশি আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল প্রতারণার বিচার করতে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও অ্যান্টি মানি লন্ডারিং আইন সংশোধন। এছাড়া ভবিষ্যতে ই-কমার্স সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘সেন্ট্রাল কপ্লেইন সেল’ গঠন করা হবে। গ্রাহকদের সঙ্গে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ ও ধামাকার মতো কথিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার মুখে এসব পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হকের অংশগ্রহণে ই-কমার্স বিষয়ে জরুরি পর্যালোচনা সভা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এতে সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী ও বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এ সময় তারা ই-কমার্স বাণিজ্যে শৃঙ্খলা ফেরানো ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় উল্লিখিত সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলোর বিষয়ে জানান।

ব্রিফিংয়ের শুরুতে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘বৈঠকে বেশ কিছু বিষয় আলোচনা হয়েছে। কেউ কেউ ই-কমার্স ব্যবসা বন্ধের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ই-কমার্স বন্ধ করা যাবে না। ১০টি বা ১৫টি খারাপ কোম্পানির জন্য সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া যায় না। কারণ ডিজিটাল কমার্সের মাধ্যমে লাখ লাখ উদ্যোক্তা এবং লাখ লাখ মানুষ তাদের জীবিকা খুঁজে পেয়েছেন, সেটি বন্ধ করা ঠিক হবে না।’

ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনার জন্য কিছু সুপারিশের কথা উল্লেখ করে বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘ই-কমার্স ব্যবসাকে শৃঙ্খলার মধ্যে রাখার জন্য ই-কমার্স রেগুলেটরি কর্র্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। ই-কমার্স পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই, নীতিমালার আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। সুতরাং একটি ডিজিটাল কমার্স  আইন করতে হবে। আরেকটি বিষয় এসেছে যেসব অভিযোগ আসছে সেগুলো ভোক্তা অধিকার, প্রতিযোগিতা কমিশনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্নভাবে মোকাবিলা করছে। কিন্তু সব কমপ্লেইন মনিটরিংয়ের জন্য কোনো সেন্ট্রাল কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এখনো করতে পারিনি, এটা করতে হবে। যাতে কমপ্লেইনগুলো মনিটরিং করা যায় এবং মামলা-মোকাদ্দমার আগেই সেগুলোর ফয়সালা করা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা ইতিমধ্যে অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ক্ষেত্রে কোনো কোনো সদস্য বলেছেন কিছু সমস্যা আছে। যেমন ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং অ্যান্টি মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট এই দুটি আইনের অধীনে যেন ডিজিটাল প্রতারণা হলে বিচার করা যায়, সেজন্য আইনের সামান্য সংশোধন করতে হবে। এ বিষয়ে একমত হওয়া গেছে, শিগগিরই এটি করতে হবে। আর সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকেই নিবন্ধন নিতে হবে। একটি ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার থাকবে। নিবন্ধন ছাড়া কোনো ব্যবসা করা যাবে না। কাল (আজ বৃহস্পতিবার) থেকেই আমরা কাজ শুরু করব।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ই-কমার্স নিয়ে আলাদা একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠন করার কথা আলোচনা হয়েছে। তবে কী প্রক্রিয়ায় হবে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ইভ্যালি গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে পারবে না : এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইভ্যালি গ্রাহকদের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছে, মনে হচ্ছে তারা গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারবে না। কারণ হয় ইভ্যালি টাকা সরিয়ে নিয়েছে, না হয় বিজ্ঞাপনের পেছনে প্রচুর টাকা খরচ করেছে। খেলাধুলাসহ বিভিন্ন জায়গায় স্পনসর করেছে। এখন তাদের কাছে মনে হয় টাকা নেই। তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সুযোগও নেই।’

ইভ্যালির গ্রাহকদের টাকা ফেরতের বিষয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘টাকা ফেরত দেওয়ার কথা আসছে কেন, সরকার তো টাকা নেয়নি। যে লোকটা বিনিয়োগ করে লাভবান হয়েছেন, সরকার তো সে লাভের ভাগীদার না। আমরা যেটা বলতে চাই মানুষকে সতর্ক হওয়া দরকার। আমরা কী করতে পারি! এখন যেটা করা হয়েছে যে মানুষ জিনিস পাওয়ার আগে যেন কোনো পেমেন্ট না করে।’

ইভ্যালি নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলব, তাদের কী সম্পদ আছে। তাদের সে সম্পদ দিয়ে কতটুকু অ্যাডজাস্ট করতে পারবে। সেটা দেখতে হবে। সরকার যেটা করেছে আইন প্রয়োগ করেছে। সরকার যেটা করেছে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তাদের কোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে বিচার হবে। সেক্ষেত্রে সরকার তার দায়িত্ব পালন করেছে। পরবর্তী সময়ে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সভায় আলোচনা হয়েছে আগামীতে যাতে কোনো মানুষ প্রতারণার শিকার না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া লাগবে। আর যেটা ঘটেছে সে ব্যপারে তদন্ত করে দেখা যেতে পারে কতটুকু তাদের কাছে সম্পদ আছে সেটা নিয়ে এসে মানুষের দায়টাকে দেওয়া। যদি আমি ইভ্যালিকে ধরি তাহলে দেখতে হবে কোম্পানি চালানোর আগে তার সক্ষমতা কতটুকু আছে। তার কাছ থেকে শুনতে হবে। এই পরিকল্পনা তো তাকে নিয়ে আসতে হবে যে, আমি এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে চাই। আমরা তো আর ব্যবসা করব না, ব্যবসা তো করবে সে। তার সঙ্গে আমরা আলোচনা করব। তাকে জেলে ভরে রাখলে তো কিছু পাবে না গ্রাহকরা। আর কোনো কিছু নেই শূন্য, এরকম অবস্থায় বের করে দিলে তো হবে না। কাউকেই কোনো টাকা দিতে পারব না। সত্যিকার অর্থে তাদের যদি কোনো পরিকল্পনা থাকে যে আমি এভাবে আবার ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই, সেটা যদি আমাদের দেয়, তা আমাদের কাছে যদি লজিক্যাল মনে হয়, আমরা সেটা কনসিডার মনে নেব। এবার তারা ঘুরে দাঁড়াতে চায়।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন কেউ ই-কমার্স ব্যবসায় এলে তাকে নজরদারি করা হবে। কোথাও এমন লোভনীয় অফার দেওয়া হয় কি না, তা দেখভাল করা হবে। একইসঙ্গে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে কাজে লাগানো হবে। আর মানি লন্ডারিং আইন ও ডিজিটাল অ্যাক্টে সংশোধন আনা হবে।’

ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল ই-কমার্স আইন করা হবে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘আর যারা ই-কমার্স ব্যবসা করতে চান, সবাইকে নিবন্ধিত হবে। তবে মানুষকেও সচেতন হওয়া জরুরি।’

অর্থমন্ত্রীর মতে প্রাথমিক দায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণার দায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিতে হবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠান করার সময় কারও না কারও ছাড়পত্র নিয়েই করা হয়েছে। এখানে ছাড়পত্র দিচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে তাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। এর সঙ্গে অন্য যাদের সম্পৃক্ততা আছে তাদের সবারই দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’ গতকাল অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা আছে। তারা এসব বিষয় নিয়ে আসে আমাদের এখানে। আইটির বিষয় আছে, সেখানে আইসিটি মিনিস্ট্রি আছে। তারাও দায়িত্ব নেবে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়ই মানুষকে ঠকায়। এটা চলে আসছে। আগে যেভাবে হতো, সেটি এখন ভিন্ন আঙ্গিকে আসছে। আগে ম্যানুয়ালি করত, এখন ইলেক্ট্রিক্যালি করছে। ডিজিটালাইজড ওয়েতে করা হচ্ছে। মানুষ বিশ্বাস করে এখন, কতদিকে নিয়ন্ত্রণ করবে? সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে অবশ্যই। সরকারই দায়িত্ব নেবে। সরকার দায়িত্ব এড়াবে কেন?’

বাণিজ্যমন্ত্রীর দায় স্বীকার : অর্থমন্ত্রী বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে পরে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘দায় নিয়েই আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে সমাধান করা যায়। অর্থমন্ত্রী বলেছেন- দায় এড়ানো যায় না, আমরা দায় এড়াতে চাচ্ছি না। এজন্যই তো সভাগুলো করছি আমরা। দায় নিতে চাচ্ছি কীভাবে একটা ঘটনা ঘটে গেছে বলেই যে সব নষ্ট হয়ে যাবে, বন্ধ হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। আমরা দায় নিচ্ছি যে হাজার হাজার লক্ষাধিক লোক ই-কমার্সের ওপর বেঁচে আছে। তাদের তো আমরা ডুবাতে পারব না। এজন্য দায় নিয়েই আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে সমাধান করা যায়। তবে টাকা-পয়সার বিষয়টা দেখে বাংলাদেশ ব্যাংক।’

ই-কমার্স খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত ৪ জুলাই যে নীতিমালা চালু হয়েছে, বিশেষ করে এসক্রো সিস্টেম চালু হয়েছে। এখন কিন্তু কোনো কোম্পানি গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নিজের কাছে নিয়ে আসতে পারছে না। এখন আর প্রতারণার কোনো সুযোগ থাকছে না। আমরা একটা হিসাব পেয়েছি। গত জুলাই মাসের আগ পর্যন্ত ৬ হাজার কোটি টাকার মতো বেচাকেনা হয়েছে ই-কমার্সে। আর নীতিমালা চালুর পর ৪০০ কোটি কোটি টাকার অর্ডার পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০ কোটি টাকার অর্ডার এসক্রো সিস্টেমের মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে।’

ইভ্যালির রাসেলকে মুক্তি দেওয়া হবে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে টিপু মুনশি বলেন, ‘এখন তার হাত যদি শূন্য হয়, যদি তার কাছে গ্রাহককে ফেরত দেওয়ার মতো কোনো টাকা না থাকে তাহলে তাকে মুক্তি দিয়ে মুক্ত বাতাসে ঘুরতে দিয়ে লাভ কী? আর যদি দেখা যায় তার সম্পদ বিক্রি করে গ্রাহকের একটা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা ফেরত দেওয়া যাবে তাহলে মুক্তির বিষয়টি আইন বিবেচনা করবে।’

বৈঠকে যা বললেন ৩ মন্ত্রী : সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘ই-কমার্সে অনেক মানুষ প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ আছে। ই-কমার্স পরিচালনার জন্য একটি আইন তৈরি করা প্রয়োজন। দেশের কোনো মানুষ যাতে ডিজিটাল বাণিজ্যে প্রতারিত না হন, সেজন্য পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এজন্য একটি প্লাটফর্ম গঠন করা দরকার।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মানুষ যাতে প্রতারিত না হয়, সেজন্য আইন করা দরকার। এ ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটি রেগুলেটরি অথরিটি গঠন করা যেতে পারে। গুটিকয়েক প্রতারণাকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য ই-কমার্স বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হবে না। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য প্রচার মাধ্যম বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগাতে হবে। তাহলে প্রতারণার সুযোগ কমে আসবে। রেগুলেটরি অথরিটিকে অত্যাধুনিক করে গড়ে তুলতে হবে এবং মনিটরিং জোরদার করতে হবে।’

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘ই-কমার্স বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হবে না। আইনের আওতায় এনে ই-কমার্সকে সুশৃঙ্খল করতে হবে। যাতে করে কেউ প্রতারণা করতে না পারে। মানুষ কম দামে পণ্য পেতে চাইবে, এটাই বাস্তবতা। ই-ব্যবসার জন্য জামানত রাখার ব্যবস্থা করা যায়। ব্যবসা যত বড় হবে জামানত তত বেশি হবে। মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে। প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। মানুষ যাতে টাকা ফেরত পায় সেজন্য সহযোগিতা করা প্রয়োজন।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজির আহমেদ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা, র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন, আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব রীনা পারভীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) এএইচএম সফিকুজ্জামান, বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. মেজবাউল হকসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কমকর্তরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।