প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্স|321711|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ অক্টোবর, ২০২১ ১৯:১৭
প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্স
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া পাচ্ছে বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্স

ভারতীয় সিনেমা ‘বাজি’ প্রদর্শনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছে বগুড়ার ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’। শুক্রবার বিকেল ৩ টায় ম্যাটিনি শো শুরুর দুই ঘণ্টা পূর্বেই দর্শকদের জন্য হল দেওয়া হয় প্রেক্ষাগৃহের দরজা। দুপুর দুইটার মধ্যেই ৩৫ ভাগ টিকিট বিক্রি হয়ে যায় বলে জানান মধুবনের পরিচালক ইউনুস রুবেল।

তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আমরা এখানে সব ধরনের সিনেমা চালাবো, কারণ যে দর্শকেরা সিনেমা হলে আসতো না তারা আবার মধুবনে ফিরবে। কেননা এখানে নারী পুরুষসহ সব ধরনের দর্শকদের জন্য ব্যবস্থা ও নানা ধরনের সুবিধা রয়েছে।’

২০১৯ সালের ঈদে চালুর কথা ছিল মধুবন সিনেপ্লেক্সের। ওই বছর আর কাজ শেষ হয়নি। পরে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় মধুবনের নির্মাণ বন্ধ হয়ে যায়। করোনা ধকল কাটিয়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে আগামী শুক্রবার থেকে পর্দা উঠছে মধুবনের। টিকিট মূল্য থাকছে ১০০, ২০০ ও ৩০০ টাকা তিন ক্যাটাগরিতে। শিগগির চালু হবে ই-টিকেটিং। শুরুতে একটি স্ক্রিন নিয়ে যাত্রা শুরু করছে। পরবর্তীকালে স্ক্রিন বৃদ্ধির ইচ্ছে আছে বলে জানালেন পরিচালক। নিচতলায় থাকছে ফুডকোর্ট এবং উপর তলায় আধুনিক সিনে থিয়েটার। আর বাইরে রয়েছে যানবাহন পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা।

 ১৯৭৪ সালে শাবানা-ওয়াসিম অভিনীত ইবনে মিজান পরিচালিত ‘ডাকু মনসুর’ সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করে মধুবন। তখন হলটির ধারণক্ষমতা ছিল ১০০০। মধুবনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ব্রিটিশ আর্মির অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট এ এম ইউনুস। বাবার সঙ্গে সিনেমা হলের ব্যবসা দেখাশোনা করতেন ছেলে আর এম ইউনুস রুবেল। তিনিই ‘মধুবন’ হলটিকে সিনেপ্লেক্সে রূপান্তরের উদ্যোগ নেন। তিনি জানান, ২০১৭ সালে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছায়াছবি প্রদর্শনের পর সংস্কারকাজের জন্য বন্ধ রাখা হয় মধুবন। টানা সাড়ে তিন বছর ধরে চলে সংস্কারকাজ।