১ মাসে প্রতিবেদন দেবে কমিটি|322296|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০
ই-কমার্স খাতে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা
১ মাসে প্রতিবেদন দেবে কমিটি

১ মাসে প্রতিবেদন দেবে কমিটি

ই-কমার্সে শৃঙ্খলা ফেরাতে আগামী এক মাসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেবে ই-কমার্স ব্যবসায় প্রতারিত ভোক্তা অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে গঠিত কমিটি।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো তদারকি এবং প্রতারিতদের অধিকার সুরক্ষা বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম শফিকুজ্জামান এ কথা জানান।

ই-কমার্সের টাকা ফেরত আনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যে টাকা চলে গেছে সেটার বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয় একাধিকবার বলেছেন। এখানে আমাদের একটা ম্যান্ডেড দেওয়া আছে। তার তিন নাম্বারে বলা আছে- ওই অর্থ-সম্পদ রিকভারি করার পদ্ধতি নির্ধারণ। আমরা সেটা নির্ধারণ করে কেবিনেটে পাঠাব। সেখানে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হবে কি-না কেবিনেট ঠিক করবে। ইভ্যালিতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হাইকোর্ট থেকে নিয়োগ করে দেওয়া হচ্ছে সেভাবে যদি করা হয়, সেটাও হতে পারে। আমরা সুপারিশ কেবিনেটে পাঠাব সেখান থেকে সিদ্ধান্ত এলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’

তিনি বলেন, ভোক্তার অধিকার সুরক্ষায় আমরা ৮ সুপারিশ নির্ধারণ করেছি। এই সুপারিশগুলো আমরা কেবিনেটে পাঠাব। পরে সেখান থেকে নির্দেশনা আসবে। সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের টোটাল আর্থিক লেনদেন কীভাবে করা যায়।

এ এইচ এম শফিকুজ্জামান আরও বলেন, গত ৩০ জুন থেকে এসক্রো সিস্টেম চালু হয়েছে। ই-কমার্সের সব প্রতিষ্ঠানের এক জায়গা থেকে তাদের পেমেন্ট গেটওয়ে যেটা আছে সেটা কীভাবে করা যায় সে বিষয়ে আমরা একটা রিকমেন্ডেশন দেব। আর আমাদের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট-ট্যাক্সের আওতায় কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে আমাদের প্রতিবেদন দিতে হবে।

তিনি বলেন, এ কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে বসে কেবিনেটে এই টোটাল জিনিসটা পাঠাবে। এটা পাঠানোর পরে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা অথবা ই-কমার্সকে কীভাবে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনা যায় সেটা হয়তো আমরা ওপরের পলিসি মেকার থেকে পাব। সে অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিত্ব আছে, বিশেষ করে কিছু গোপন সংস্থা আছে, আমাদের ই-ক্যাবের প্রতিনিধি ও ক্যাবের প্রতিনিধি আছেন। কীভাবে সেই বিষয়গুলো সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব, সেটাই দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এগোব।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ই-কমার্সের যে ঘটনা ঘটেছে অবশ্যই একটা ড্যামেজ হয়েছে। ই-কমার্সকে আমরা সামনে নিয়ে যেতে চাই। সবাই মিলে ই-কমার্সকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যে ঘটনাটা ঘটেছে সেটাকে আমরা ড্যামেজটা রিপেয়ার করে কীভাবে সামনে নিতে পারব সেটাই মূল লক্ষ্য। কমিটি সেটি নিয়েই কাজ করছে। আমরা এটা রিপোর্ট আকারে কেবিনেটে পাঠাব। কেবিনেট থেকে যে নির্দেশনা আসবে সেগুলো রেগুলেটারি অথরিটি বা অন্য কেউ ইমপ্লিমেন্ট করবে।

তিনি আরও বলেন, রেজিস্ট্রেশন নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কাজ করেছি। আগামী সপ্তাহে মিটিং করব। রেজিস্ট্রেশনের ফরমেটটাও হয়ে গেছে। আমরা রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে নিয়ে আসব। অনলাইনে কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করা যায়, সেটি নিয়ে কাজ করছি।