১৪ ছাত্রের চুল কাটা: শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত|323679|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০২১ ২১:১৮
১৪ ছাত্রের চুল কাটা: শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

১৪ ছাত্রের চুল কাটা: শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত

ফাইল ছবি

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনের স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে রবি প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বৈঠক শেষে শিক্ষার্থীরা স্থগিতের ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র আবু জাফর বলেন, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত একাডেমিক ভবনে রবি প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বৈঠক হয়। এ সময় উপাচার্য স্যার জানান, তদন্তে প্রাথমিকভাবে চুল কাটার প্রমাণ মিলে বলেই প্রতীয়মান মনে হয়। যে বিষয়গুলো প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে তা পর্যালোচনার জন্য সময় দরকার। এ জন্য আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নিয়েছে। এ সময় পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার সমাধানে আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নিয়েছে। শিক্ষার্থীরাও সেটা মেনে নিয়ে আন্দোলন স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফ ও রেজিস্ট্রার সোহরাব আলীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রভাষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন পরীক্ষা হলে প্রবেশের সময় ওই বিভাগের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেন। এ ঘটনার পর থেকে  শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনের স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও আমরণ অনশন শুরু করেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ১৬তম সভায় শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় ও ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। পরে শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে তারা অনশন ও আন্দোলন স্থগিত করেন। কিন্তু গত শুক্রবারের সিন্ডিকেট সভায় এ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা মুলতবি হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা আবারও বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু করেছে।