ইউপি নির্বাচনে ফায়দা নিতে মাসুদ রানা হত্যাকাণ্ড|329359|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ নভেম্বর, ২০২১ ২১:৫১
ইউপি নির্বাচনে ফায়দা নিতে মাসুদ রানা হত্যাকাণ্ড
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

ইউপি নির্বাচনে ফায়দা নিতে মাসুদ রানা হত্যাকাণ্ড

পটুয়াখালী বড় বিঘাই ইউনিয়ন মোটরসাইকেল চালক মাসুদ রানা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। বুধবার বেলা ১১টায় পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান অনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মধ্যমে হত্যার বিষয়টি স্পষ্ট করেন। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, গত ৬ নভেম্বর রাতে হত্যাকাণ্ডের ৫ ঘণ্টা পর পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মজনু মোল্লার সমর্থক মাসুদ রানাকে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তার আসামি আল-আমিন ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধরায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, গত ১১ নভেম্বর হত্যায় জড়িত বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিল্লালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাসুম বিল্লাহকে গত ২৩ নভেম্বর ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার পথে মির্জাগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মাসুম বিল্লাহর তথ্য মতে বড় বিঘাই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান মজনু মোল্লার বাড়ির পুকুর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি চাইনিজ কুড়াল, লোহার রডের সঙ্গে স্ক্রু সংযুক্ত চেইন গিয়ারের সমন্বয়ে তৈরি দেশি অস্ত্র এবং দুটি বগি দা উদ্ধার করা হয়। 

এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

গত ১১ নভেম্বর ২য় ধাপে বড় বিঘাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের দিন থেকে বড় বিঘাই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে পরাজিত প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান মজনু মোল্লা পলাতক রয়েছেন। 

হত্যার শিকার মাসুদ রানা মজনু মোল্লার ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল চালক হিসেবে কাজ করতেন এবং নির্বাচনী প্রচার চালাতেন।