করোনার নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে উদ্বেগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার |329878|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০২১ ০৯:২২
করোনার নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে উদ্বেগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
অনলাইন ডেস্ক

করোনার নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে উদ্বেগ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

দক্ষিণ আফ্রিকা ও বৎসোয়ানার টিকাপ্রাপ্তরাই নতুন এই প্রজাতির ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন

করোনার নতুন ‘বি.১.১.৫২৯’ প্রজাতিকে উদ্বেগজনক বা ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ হিসেবে চিহ্নিত করে ‘ওমিক্রন’ নাম দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দক্ষিণ আফ্রিকা ও বৎসোয়ানার টিকাপ্রাপ্তরাই নতুন এই প্রজাতির ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন।

ডব্লিউএইচও জানায়, নতুন এ ধরনের ভাবগতিক বুঝতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।

বিবৃতিতে তারা বলেছে, এই ভ্যারিয়েন্টে বিপজ্জনক মিউটেশন ঘটেছে। বস্তুত, সেই কারণেই চিহ্নিত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকির সর্বোচ্চ ধাপে রাখা হলো ভাইরাসের এই নতুন স্ট্রেনকে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম চিহ্নিত হয়েছিল এই ভাইরাস। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, তাতে ৫০টি মিউটেশন বা জিনগত পরিবর্তন ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে, যার মধ্যে ৩০টিরও বেশি হয়েছে শুধুমাত্র স্পাইক প্রোটিনে। নতুন এই প্রজাতির করোনাভাইরাস যাদের আক্রমণ করেছে, তাদের শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ বা ‘ভাইরাল লোড’ খুব বেশি হয়েছে।

তবে নতুন প্রজাতিটির উৎস নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো এইচআইভি আক্রান্তের শরীরই সম্ভবত এই ভ্যারিয়েন্টের উৎস। অতীতে করোনার বিটা ভ্যারিয়েন্টও এক এইচআইভি রোগীর শরীরে প্রথম পাওয়া যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বুধবার যত জন সংক্রমিত হয়েছেন, তাদের ৯০ শতাংশের শরীরেই ওমিক্রন স্ট্রেনের ভাইরাস মিলেছে। নতুন এই প্রজাতির করোনা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে জোহানেসবার্গে। সেখানকার সংক্রমিতদের মধ্যে অধিকাংশই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। ফলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, নয়া প্রজাতির ভাইরাসের শিকার মূলত হচ্ছেন অল্পবয়সীরা।

বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, সংক্রমিতদের শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ অস্বাভাবিকরকম বেশি। হংকং, ইসরায়েলে আফ্রিকা ফেরত পর্যটকের শরীরে মিলেছে এই স্ট্রেন। এর মধ্যে ব্রিটেন, সিঙ্গাপুর, ইসরায়েলের মতো দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা এবং আফ্রিকার আরও চারটি দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করেছে। জার্মানি, ইতালিও দক্ষিণ আফ্রিকায় সফর নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছে।

আরও পড়ুন...করোনায় আক্রান্ত ২৬ কোটির বেশি, মৃত্যু ৫২ লাখ