সৌদি আরবে ওমিক্রনে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত|330718|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৭:০৫
সৌদি আরবে ওমিক্রনে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত
অনলাইন ডেস্ক

সৌদি আরবে ওমিক্রনে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত করেছে সৌদি আরব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এর বিস্তার ঠেকাতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার মধ্যেই সৌদি আরবে ওমিক্রনের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ল।

সৌদি আরবের রাষ্ট্র-চালিত সংবাদ মাধ্যম এসপিএ দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলেছে যে, সংক্রামিত ব্যক্তি একজন সৌদি নাগরিক যিনি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশে ভ্রমণ শেষে ফিরে এসেছিলেন। তাকে আইসোলেশন রাখা হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তি আফ্রিকার কোন দেশ থেকে সেখানে গিয়েছেন, তা জানায়নি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সৌদি আরবে প্রবেশের মাধ্যমে করোনার অমিক্রন ধরন মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশ করল। তবে উত্তর আফ্রিকার কোনো দেশ এখনো ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ওদিকে, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন-প্রস্তুতকারী বায়োএনটেকের সিইও উগুর সাহিন বলেছিলেন যে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটি আরও বেশি টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রামিত হতে পারে। তবে তারা সম্ভবত গুরুতর অসুস্থতার বিরুদ্ধে সুরক্ষিত থাকবেন।

এদিকে, মার্কিন স্বাস্থ্য উপদেষ্টাদের একটি প্যানেল ওষুধ কম্পানি মার্কের একটি কোভিড-১৯ পিলকে সমর্থন করেছে, যা এই সপ্তাহের শেষের দিকে অনুমোদন পেতে পারে।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত ওমিক্রন নিয়ে আরও জানতে বিজ্ঞানীরা প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অমিক্রন নিয়ে গত সোমবার একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে। সংস্থাটি করোনাভাইরাসের নতুন ধরন অমিক্রন নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞানীরাও এই ধরন নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে রূপান্তরিত হয়ে নতুন এই রূপ পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এক বিজ্ঞানী করোনার নতুন এই ধরনকে ‘ভয়ংকর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। আরেক বিজ্ঞানী বলেছেন, এতটা ভয়ংকর ধরন তাঁরা দেখেননি।

তবে, কোথায় বা কখন করোনার এই নতুন ধরন প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু নতুন স্ট্রেনের প্রতিক্রিয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘যৌক্তিক’ পদক্ষেপের আহ্বান সত্ত্বেও বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করছে, বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাপারে বেশি কড়াকড়ি করছে, যে কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যে, তাদেরকে বলির পাঠা বানানো হচ্ছে।