মিয়ানমারে ২০০ সেনা নিহত|330739|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১ ডিসেম্বর, ২০২১ ২০:৪০
মিয়ানমারে ২০০ সেনা নিহত
অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারে ২০০ সেনা নিহত

মিয়ানমারে সামরিক জান্তাবিরোধীদের সঙ্গে লড়াইয়ে জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত গত পাঁচ মাসে প্রায় ২০০ সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী কোকাং। গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

এদিকে দুর্নীতি মামলার রায় পেছানোর পর দেশটির ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে নতুন করে আরও কয়েকটি দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে জান্তা সরকার।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের সশস্ত্রগোষ্ঠী। এরমধ্যে বেশকিছু শহরে মিয়ানমার সেনাদের হটিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ারও দাবি করেছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দলগুলো।

সবশেষ দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শান প্রদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক এলায়েন্স আর্মি এমএনডিএ’র দাবি, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত আড়াইশ’র বেশি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে তারা।

রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে গত চার মাসে সেনাবাহিনীর প্রায় ২০০ সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও দাবি গোষ্ঠীটির।

কোকাং গ্রুপ নামে পরিচিত এমএনডিএ আরও জানায়, যুদ্ধে প্রায় ৭০০ সেনা আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সংঘাতে নিজেদের ১০ বিদ্রোহী নিহত ও অর্ধশত আহত হয়েছেন বলেও জানান দলটির মুখপাত্র। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এমএনডিএ।

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার রায় পিছিয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির একটি আদালত তার বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের দিন আগামী ৬ ডিসেম্বর ধার্য করেন। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে প্রথমটিতে সু চির সর্বোচ্চ দুই বছর ও পরেরটিতে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

একইদিন কারাগারে বন্দি সু চির বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির মামলা করেছে সামরিক জান্তা সরকার। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে বলা হয়, সু চির পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

হেলিকপ্টার ক্রয় ও ভাড়া সংক্রান্ত মামলাগুলো দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে পড়বে বলে জানানো হয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে তাদের।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করাদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। কারাবন্দি রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।