জয়ে কোয়ার্টার নিশ্চিত রাসেলের|330792|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০
জয়ে কোয়ার্টার নিশ্চিত রাসেলের
ক্রীড়া প্রতিবেদক

জয়ে কোয়ার্টার নিশ্চিত রাসেলের

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে ৩-০ গোলে হারিয়ে স্বাধীনতা কাপের বি গ্রুপে শুভ সূচনা করেছিল শেখ জামাল ধানম-ি ক্লাব। উড়ন্ত সূচনার পর কাল অবশ্য হোঁচট খেয়েছে গত মৌসুমের লিগ রানার্স-আপরা। উত্তর বারিধারার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে তাদের কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে গ্রুপের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। শেখ রাসেলের কাছে আগের ম্যাচে ১-০ গোলে হারা বারিধারা এই ড্রয়ে টিকিয়ে রেখেছে কোয়ার্টার ফাইনালের সম্ভাবনা। দিনের অপর ম্যাচে বিমানবাহিনীকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেখ রাসেল অবশ্য কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে এই গ্রুপ থেকে।

দুই ম্যাচ থেকে এখন রাসেলের সংগ্রহ ছয় পয়েন্ট। জামাল চার পয়েন্ট নিয়ে আছে তাদের ঠিক পরেই। এক পয়েন্ট পাওয়া বারিধারা শেষ ম্যাচটি খেলবে এখন পর্যন্ত পয়েন্টের খাতা না খোলা বিমানবাহিনীর বিপক্ষে। জামাল শেষ ম্যাচে রাসেলের কাছে হারলে আর বারিধারা জয় পেলে সম্ভাবনা থাকবে তাদেরও। প্রথম ম্যাচে বারিধারা খেলেছিল একজন মাত্র বিদেশি নিয়ে। মিসরের প্লে-মেকার মোস্তফা মাহমুদ একাই লড়াই করেছিলেন রাসেলের বিপক্ষে। কাল অবশ্য তার সঙ্গে যোগ হন উজবেক মিডফিল্ডার ইভজেন্তি কোচনেভ ও ডিফেন্ডার সাইদোস্তন ফজিলভ। তিন বিদেশিকে নিয়ে বারিধারা ভালোই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় জামালকে। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও দলটির ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা ছিল প্রকট। ম্যাচের দশম মিনিটে বক্সের ভেতরে ঢুকে বারিধারা অধিনায়ক সামিন ইয়াসার জোরালো শট রুখে দেন জামালের এক ডিফেন্ডার। চার মিনিট পর ফজিলভের ফ্রি কিক ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন শেখ জামাল গোলরক্ষক নাঈম মিয়া। ১৭ মিনিটে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় মাঠে। জামালের উজবেক ফরোয়ার্ড জনোভ ওতাবেককে কনুই দিয়ে গুঁতো মেরে বসেন উত্তর বারিধারার পাপন সিং। রেফারি পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করেন পাপনকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তর বারিধারার মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোস্তফা মাহমুদকে কড়া ট্যাকল করে হলুদ কার্ড দেখেন ওতাবেক। প্রথমার্ধের শেষ দিকে জামালের সোহেল রানার ক্রসে গোলমুখ থেকে দুর্বল হেডে গোলরক্ষক সাইফুল ইসলাম খানের হাতে বল তুলে দেন সোহানুর রহমান সোহান। দ্বিতীয়ার্ধেও জামালের খেলায় গতি ফেরেনি। তবে ৮০তম মিনিটে শেখ জামালের মোহাম্মদ আতিকুজ্জামানের ক্রসে গাম্বিয়ার ফরোয়ার্ড সলোমন কিংয়ের দুর্বল হেড জমা পড়ে গোলরক্ষকের গ্লাভসে। বাকি সময় কোনো দলই সুযোগ তৈরিতে ব্যর্থ হলে ম্যাচ শেষ হয় ড্রয়ে।