ভাঙাচোরা সড়কে ভোগান্তি|331381|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০
মির্জাপুরের দেওহাটা-ধানতারা
ভাঙাচোরা সড়কে ভোগান্তি
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

ভাঙাচোরা সড়কে ভোগান্তি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দেওহাটা-ধানতারা আঞ্চলিক সড়কটিতে অসংখ্য খানাখন্দের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন চলাচলকারী হাজারো মানুষ। সড়কটির দেওহাটা বাসস্ট্যান্ড থেকে বহুরিয়া শিল্পপতি নুরুল ইসলাম সেতু পর্যন্ত প্রায় সোয়া চার কিলোমিটারে বেশিরভাগ অংশে কার্পেটিং নেই। এখানে দেখে বোঝার উপায় নেই সড়কটি কাঁচা না পাকা। এর মধ্যে আবার সড়কটির একটি ব্রিজের মাঝখানে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ব্রিজটির ওপর বিছানো হয়েছে প্লেনশিট।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা থেকে ধামরাই হয়ে ঢাকা যাওয়ার অন্যতম রাস্তা দেওহাটা-ধানতারা সড়ক। এই সড়কটি মির্জাপুর উপজেলার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ধামরাই, মানিকগঞ্জ, সাভার, সাটুরিয়া, ঢাকা ও কালিয়াকৈরের কয়েকটি ইউনিয়নে যোগাযোগের সহজ মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত যানবাহন ও হাজারো মানুষের চলাচল রয়েছ এই সড়ক দিয়ে।

১৯৯৪ সালে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ের সড়কটির মীর দেওহাটা এলাকায় ১২ মিটার দৈর্ঘ্যরে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে। তারপর থেকে একাধিকবার ওই সড়ক সংস্কার ও পাকাকরণের কাজ হলেও জরাজীর্ণ ব্রিজটি তেমনিই রয়ে গেছে।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস ২০১৮ সালে দেওহাটা থেকে চান্দুলিয়া শিল্পপতি নুরুল ইসলাম সেতু পর্যন্ত সোয়া চার কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করে। টাঙ্গাইলের আর এস এন্টারপ্রাইজ টেন্ডারের মাধ্যমে ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করে। কিন্তু সংস্কারের ১৫ দিনের মধ্যেই এলাকাবাসী হাত দিয়ে কার্পেটিং টেনে তোলেন। এছাড়া কাজের মান নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ করেন।  

এই চার কিলোমিটার সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে ২০টি ইটভাটা। ওইসব ভাটায় মাটি, কয়লা, লাকড়ি ও ইট বহনে প্রতিদিন শত শত ভারী যানবাহন চলাচল করে। যার ফলে ইট, পিচ, খোয়া উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। বর্ষা মৌসুমে ওই গর্তগুলো নালা-ডোবার মতো দেখায়। আর শুকনো মৌসুমে সড়কে ধুলো উড়ে অন্ধকার হয়ে যায়।

সড়কটির ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ৪২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং সাড়ে পাঁচ মিটার প্রস্থের একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব ঢাকার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রাস্তাটির খানাখন্দ অংশ পরিমাপ করা হচ্ছে। পরিমাপ শেষ হলে সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।