র‌্যাবকে মামলার তদন্ত দেওয়ার ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেটের নেই: রানা দাশগুপ্ত|338612|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ জানুয়ারি, ২০২২ ২০:৫৯
সিনহা হত্যা মামলা
র‌্যাবকে মামলার তদন্ত দেওয়ার ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেটের নেই: রানা দাশগুপ্ত
কক্সবাজার প্রতিনিধি

র‌্যাবকে মামলার তদন্ত দেওয়ার ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেটের নেই: রানা দাশগুপ্ত

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মুহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলের আদালতে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ যুক্তিতর্ক চলে। 

এদিন আসামি বরখাস্ত পরিদর্শক লিয়াকত এবং বরখাস্ত ওসি প্রদীপের পক্ষে আট আইনজীবী তাদের যুক্তিতর্ক আদালতে তুলে ধরেন। 

যুক্তিতর্কে প্রথমে লিয়াকতের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার দাশ শুরু করেন। এদিন দুপুরে বরখাস্ত ওসি প্রদীপের পক্ষে তার প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত আদালতে তার যুক্তিতর্ক শুরু করেন। 

এ সময় আরো তিন আইনজীবী আসামি প্রদীপের পক্ষে আদালতে সওয়াল-জবাবে অংশ নেন। 

অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্তের যুক্তিতর্ক অসমাপ্ত রেখে কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করে আদালত।  

বুধবার (১২ জানুয়ারি) অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত তার অসমাপ্ত যুক্তিতর্ক শুরু করবেন বলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন তিনি। 

আদালতের কার্যক্রম শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, শুরু থেকেই মামলাটি আইনের গতিতে চলছে না। ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের র‌্যাবকে দিয়ে এ মামলা তদন্তের নির্দেশ ক্ষমতা নেই। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম ব্রিফিংয়ে জানান, পূর্বপরিকল্পিনা অনুযায়ী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মেজর সিনহাকে হত্যা করা হয়েছে। ৬৫ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বাদীপক্ষ তা আদালতে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের খড়কুটো ধরে বাঁচানোর জন্য আদালতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ আসামিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।