ওমিক্রন থেকে সেরে ওঠার সময়ে কোমরে ব্যথা হচ্ছে যে কারণে|339130|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:৩৬
ওমিক্রন থেকে সেরে ওঠার সময়ে কোমরে ব্যথা হচ্ছে যে কারণে
অনলাইন ডেস্ক

ওমিক্রন থেকে সেরে ওঠার সময়ে কোমরে ব্যথা হচ্ছে যে কারণে

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার পরে কী কী সমস্যা হতে পারে, তা এখনও চিকিৎসকদের কাছে পরিষ্কার নয়। অনেকেই বলছেন, এটি সাধারণ জ্বর-সর্দি-কাশির মতো সমস্যা, কেউ আবার বলছেন, অত হাল্কা ভাবে নেওয়ার কিছু নেই, এটি রীতিমতো জটিল জিনিস। কেন্দ্র সরকারের তরফেও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এখনই ওমিক্রনকে হাল্কা ভাবে নেওয়ার মতো কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে।

কিন্তু এরই মধ্যে অনেকেই জানাচ্ছেন, ওমিক্রন থেকে সেরে ওঠার সময়ে তাঁদের কোমরে ব্যথা হচ্ছে? এর কারণ কী? কতটা ভয়ের এই সমস্যাটি?

ভারতের নামজাদা চিকিৎসক এবং ফুসফুস বিশেষজ্ঞ হরিশ চাফলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন এই ব্যথার বিষয়ে। কী বলছেন তিনি?

ওমিক্রন থেকে সেরে ওঠার সময়ে কোমরে ব্যথার কারণ কী?

এই চিকিৎসক বলছেন, ভাইরাস সংক্রমণ হলে myalgias বা পেশি-গাঁটের ব্যথা হওয়াটা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। কোভিডেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পাওয়া সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, কোভিডের অন্য রূপগুলোর তুলনায় ওমিক্রনে এই ধরনের ব্যথা কিছুটা বেশি হচ্ছে। শরীরের musculoskeletal system বা হাড়-পেশি-মজ্জার যে কাঠামো তাতে এই ভাইরাসটির প্রভাব বেশি পড়ছে, এবং ক্ষতি বেশি হচ্ছে বলেই হয়তো এমন হচ্ছে। তাই বলছেন চিকিৎসক।

চিকিৎসা কীভাবে?

হরিশ চাফলে বলছেন, এর থেকে বাঁচার জন্য কয়েকটি রাস্তা মেনে চলতে হবে।

সেরে যাওয়ার পরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরতে হবে। সামাজিক দূরত্ববিধিও মেনে চলতে হবে।

যত ক্ষণ না পুরোপুরি সেরে উঠছেন, তত ক্ষণ ভারী কাজ করা যাবে না। দরকার হলে যতটা বিশ্রাম নেন, তার চেয়ে বেশি সময় বিশ্রাম নিতে হবে।

আপনি কি নিয়মিত শরীরচর্চা বা এক্সারসাইজ করেন? তাহলে সেটি আবার শুরু করতে পারেন। তাতে এই ব্যথা কমবে। তবে প্রথমেই ভারী ব্যয়াম করা যাবে না।

সবচেয়ে বড় কথা, বেশি পরিমাণে পানি খেতে হবে। তাতে পেশির নমনীয়তা বাড়বে। ব্যথা কমবে তাড়াতাড়ি।

খুব বেশি ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যথার ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।

অনেক সময়ে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতির কারণেও এই ব্যথা বেড়ে যায়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ডি-র মাত্রা পরীক্ষা করাতে পারেন। বা এই ভিটামিনের সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।