ছুটির দিনের ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত|339259|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
ছুটির দিনের ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

ছুটির দিনের ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত

দিন যত যাচ্ছে ততই ভিড় বাড়ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায়। গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলে মেলা প্রাঙ্গণে ছিল উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু বালাই ছিল না স্বাস্থ্যবিধি মানার। এ ব্যাপারে মেলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষেরও পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এদিকে এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে করে মেলায় আসা-যাওয়া করতে ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। পাশাপাশি কেনাকাটাও করছেন। ক্রেতা আকর্ষণের জন্য দোকানগুলো সাজানো হয়েছে নানা সাজে। মেলায় প্রসাধনী, গৃহস্থালিসামগ্রীর দোকানে বেশি ভিড় ছিল।ব্যবসায়ীরা জানান, ছুটির দিন হওয়ায় গতকাল সকাল থেকেই বিক্রি ভালো হচ্ছে।

প্রসাধনসামগ্রীর ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মেলা জমে ওঠার কারণে আমরা ব্যবসায়ীরা অনেক খুশি। দিন যত বাড়বে মেলায় ক্রেতা আরও বাড়বে।’

একটি কাপড়ের স্টলের বিক্রয়কর্মী নাদিয়া আক্তার জানান, ‘পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি। ক্রেতার সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে আমরাও ব্যস্ত সময় পার করছি।’

মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দর্শনার্থীদের মুখের মাস্ক ছিল থুতনিতে। মেলা কর্তৃপক্ষকে দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরার ব্যাপারে মাইকিং ও প্রচার চালাতে দেখা যায়নি। স্টলের বিক্রয়কর্মীদের মুখেও মাস্ক ছিল না।

মেলায় স্বাস্থ্যবিধি না মানার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ব্যবসায়ীরা বলেন, মেলায় অনেক মানুষ আসছে। এত মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানা একটা অসম্ভব ব্যাপার।      

পলি নামে এক দর্শনার্থী বলেন, মেলার চারপাশ ধুলায় ধূসর। নির্মাণাধীন পূর্বাচল উপ-শহরের কাজ চলার কারণে চারদিকেই ধুলাবালি অনেক। আসার সময় তাই ধুলার কারণে খুব খারাপ অবস্থা হয়ে গেছে। এ ছাড়া মেলায় এসে দেখি বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াচ্ছে। এত মানুষের ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। 

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও বাণিজ্যমেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা মেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। মেলায় মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। মেলার ভেতরে প্রবেশের পর অনেক দর্শনার্থী মাস্ক খুলে ফেলেন। মেলার ভেতরে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি আনসার বাহিনীর সদস্যরাও বিভিন্ন স্থানে কাজ করবে।’