‘এপিক ১৯৭১’|339261|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
গ্যালারি কায়ায় চিত্র প্রদর্শনী
‘এপিক ১৯৭১’

‘এপিক ১৯৭১’

বাংলাদেশ ও ভারতের শিল্পীদের চিত্রকর্ম নিয়ে ঢাকার উত্তরার গ্যালারি কায়ায় গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে ‘এপিক ১৯৭১’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর ছবিগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব, আত্মত্যাগ, বেদনার কথা উঠে এসেছে।

প্রদর্শনীতে দুই দেশের আটজন শিল্পীর ৩১টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ভারতের শিল্পীরা হলেন সোমনাথ হোড়, আদিত্য বসাক, চন্দ্রা ভট্টাচার্য ও অতীন বসাক। আর বাংলাদেশের শিল্পীরা হলেন শাহাবুদ্দিন আহমেদ, জামাল আহমেদ, রণজিৎ দাস ও আলপ্তগীন তুষার। প্রদর্শনীটি চলবে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

গতকাল বিকেলে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রথম আলোর সম্পাদক ও শিল্পসংগ্রাহক মতিউর রহমান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও গবেষক মফিদুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শিল্পী জামাল আহমেদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের পথ ধরে। পঞ্চাশের দশক থেকেই শিল্পী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা আন্দোলনের ভিত গড়তে ভূমিকা রেখেছেন। প্রগতিশীল সব লড়াই-সংগ্রামে শিল্পীদের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

গবেষক মফিদুল হক বলেন, এ ধরনের প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নানা দিক নানা মাত্রায় উঠে আসবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নানারকম আয়োজন হচ্ছে। তবে এ প্রদর্শনীটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার এবং সে দেশের মানুষ সব ধরনের সহযোগিতা করেছিল বাংলাদেশকে। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে লড়াই করেছিল ভারতীয় সামরিক বাহিনীও। তাই বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে দুই দেশের শিল্পীদের নিয়ে এ ব্যতিক্রমী চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।