৬ মাসেও অধরা ধর্ষণ মামলার আসামি রিয়াদ|339277|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
৬ মাসেও অধরা ধর্ষণ মামলার আসামি রিয়াদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

৬ মাসেও অধরা ধর্ষণ মামলার আসামি রিয়াদ

রাজধানীর কলাবাগান থানায় ধর্ষণ মামলার আসামি রিজওয়ানুল ইসলাম রিয়াদকে (৩২) ছয় মাসেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া ছাড়াও ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী ও পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানান, গত বছর ২৭ মে রাজধানীর কলাবাগান এলাকার একটি বাসায় এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। এরপর ৪ জুলাই ভুক্তভোগী তার বিরুদ্ধে কলাবাগান থানায় মামলা করেন। অবশ্য মামলার আগেই আত্মগোপন করে রিয়াদ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সব ধরনের যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ ও র‌্যাব।

পুলিশ বলছে, সফটওয়্যার প্রকৌশলী রিয়াদ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের শিকার নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিত। এরই ধারাবাহিকতায় কলাবাগানের ওই নারীর কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

রিয়াদের গ্রামের বাড়ি নীলফামারী সদরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার পর সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন চলাকালে রিয়াদকে এলাকায় দেখা গেছে।

কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আসামি ও বাদী পূর্বপরিচিত। ধর্ষণের মামলার আগে থেকেই আসামি পলাতক। সম্ভাব্য সব আস্তানায় অভিযান চালিয়ে রিয়াদকে পাওয়া যায়নি। গ্রেপ্তারের জন্য নীলফামারী সদর থানাকে রিকুইজিশন স্লিপ পাঠানো হয়। তারাও অভিযান চালিয়ে রিয়াদকে পায়নি।’

ভুক্তভোগীর পরিবারের এক সদস্য জানান, প্রথম দফায় গত ১৪ জুলাই ধর্ষণ মামলায় দুই ধরনের আলামত জব্দ করে পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় প্রায় তিন মাস পর গত বছর ২১ অক্টোবর সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ভুক্তভোগীর কলাবাগানের বাসায় গিয়ে আরও কিছু আলামত সংগ্রহ করে।

তবে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত এসব আলামত পরীক্ষার কোনো প্রতিবেদন তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কাছে আসেনি বলে জানান ওসি। তিনি আরও জানান, আসামির দেশত্যাগ ঠেকাতে ইমিগ্রেশন শাখায় চিঠি দিয়েছে পুলিশ।

নীলফামারী সদরের স্থানীয় বাসিন্দারা দেশ রূপান্তরকে জানান, মামলার পর থেকেই রিয়াদ বেশভূষায় পরিবর্তন এনেছে। আগে ক্লিনশেভ থাকলেও এখন পুরোদস্তুর হুজুর বেশে চলাফেরা করছে।