বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমছে|339709|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০৮:৩৫
বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমছে
অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমছে

বিশ্বজুড়ে করোনায় দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে ১৯ লাখ ৩১ হাজারে। আর মারা গেছেন ৪ হাজারের কম মানুষ। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছিল। ১৫ জানুয়ারি সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছিল। সেদিন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল ৩১ লাখ ৬০ হাজার। এর পরদিন ১৬ জানুয়ারি আক্রান্তের সংখ্যা নেমে আসে সাড়ে ২৩ লাখে এবং মৃত্যু নেমে আসে সাড়ে পাঁচ হাজারে। ১৫ জানুয়ারি মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৬০০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, মেক্সিকো, তুরস্ক ও কলম্বিয়া। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮৬ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৫ লাখ ৫৭ হাজার।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ হাজার ৯৮৩ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে দেড় হাজারের বেশি। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৫ লাখ ৫৭ হাজার ৫৮৭ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৩১ হাজার ১৮৪ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে চার লাখের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮৩০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭৩ জন এবং মারা গেছেন ৩৪৬ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৬ কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫৩৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬৪ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৮৬ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২৯ হাজার ২৩০ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮ লাখ ৩ হাজার ৫৩৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ৩২০ জনের।

এছাড়া গত এক দিনে যুক্তরাজ্যে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭০ হাজার ৯২৪ জন এবং মারা গেছেন ৮৮ জন। মহামারির শুরু থেকে এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার ২৮০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮৭ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ইতালিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫১২ জন এবং মারা গেছেন ২৪৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ১২৯ জন এবং মারা গেছেন ৯৮ জন। মহামারির শুরু থেকে এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪১ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৬৭ জন মারা গেছেন। একই সময়ে কলম্বিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৩১৭ জন এবং মারা গেছেন ১৩৬ জন।

এছাড়া জার্মানিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ২৮৭ জন এবং মারা গেছেন ২৬ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৭৯ লাখ ৯১ হাজার ৪৩২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ১৬ হাজার ২৬৮ জন মারা গেছেন। একই সময়ের মধ্যে ইউক্রেনে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৩৭৯ জন এবং মারা গেছেন ৮৮ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯২ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩১ হাজার ২২৯ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার ৯৫২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৯ জনের।

এদিকে করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ৭৩ লাখ ৭৯ হাজার ২২৭ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৪৮২ জন।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তুরস্কে ১৩৬ জন, পোল্যান্ডে ৩৫ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮৬ জন, ফিলিপাইনে ৫০ জন, কানাডায় ৬৭ জন এবং ভিয়েতনামে ১২৯ জন মারা গেছেন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মেক্সিকোতে মারা গেছেন ২২৭ জন। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ১ হাজার ৩৩৪ জনের।