শাবিপ্রবিতে হামলার প্রতিবাদে বশেমুরবিপ্রবিতে মানববন্ধন|339759|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:০৭
শাবিপ্রবিতে হামলার প্রতিবাদে বশেমুরবিপ্রবিতে মানববন্ধন
শাফিউল কায়েস, বশেমুরবিপ্রবি

শাবিপ্রবিতে হামলার প্রতিবাদে বশেমুরবিপ্রবিতে মানববন্ধন

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপরে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সোমবার দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমি ভবনের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা।

বক্তারা বলেন, শাবিপ্রবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে তা বর্বরোচিত। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন পাশবিকতা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সকলে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের পাশে আছি, তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। শিগগিরই হামলার ঘটনায় স্বৈরাচারী ভিসিসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় সারাদেশের শিক্ষার্থীরা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে শাবিপ্রবির বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ লিজার বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে হলটির ছাত্রীরা প্রতিবাদ জানান।

এ নিয়ে তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। ১৫ জানুয়ারি আন্দোলনরতদের ওপরে হামলার অভিযোগ ওঠে শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ সময় হামলার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে সড়ক অবরোধ করেন।

১৬ জানুয়ারি বেলা পৌনে তিনটার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ কার্যালয় থেকে বের হলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন।

এ সময় উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরে পুলিশ এসে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিপেটা, রাবার বুলেট, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হন। এ ঘটনার পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

তবে ১৭ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ত্যাগ না করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।