বেরোবিতে ভর্তির জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার|339929|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০৯:২৯
বেরোবিতে ভর্তির জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার
বেরোবি প্রতিনিধি

বেরোবিতে ভর্তির জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা গ্রেপ্তার

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ২০২০-২১ সেশনে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি’র সাইবার টিম।

সোমবার নড়াইলের লোহাগড়ায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ১ জানুয়ারি বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রব্বানী রংপুর মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

সিআইডি জানায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে- এমন তথ্য পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারের নিয়মিত অনলাইন মনিটরিং টিম।

টিম জানতে পারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জালিয়াতি করে ভর্তির প্রলোভন দিয়ে যাচ্ছে একটি অসাধু চক্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির বিষয়ে ভুয়া তথ্য সরবরাহ করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থও হাতিয়ে নিচ্ছে তারা।

সিআইডি সাইবার টিম এ ব্যাপারে তৎপর হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। অনুসন্ধান চালানো হয় বেশ কয়েক দিন। অবশেষে প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করে সিআইডি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতারক চক্রটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি জালিয়াতির সঙ্গেও যুক্ত। চক্রটি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর ও হোয়াটসআ্যপ গ্রুপ ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতো।

গ্রেপ্তার মেহেদীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময় এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে আসছিলেন। প্রতারক চক্র মূলত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতো। তাদের দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য আশ্বস্ত করা হতো এবং নিবন্ধনের টাকা দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির রেজাল্টের পর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বন্ধ করে দেওয়া হতো। সঙ্গে অ্যাডমিন নম্বর ও বিকাশ নম্বরও বন্ধ করে দিতো।

গ্রেপ্তারের সময় মেহেদীর কাছ থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টসহ মোট ১০টি সিম, তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।