তথ্য চেয়ে এমডিকে চিঠি|340231|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
রাকাবে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি
তথ্য চেয়ে এমডিকে চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য চেয়ে এমডিকে চিঠি

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ তদন্তের জন্য সম্প্রতি ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) কাছে বেশ কিছু তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী অফিসের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-৩ আজ বৃহস্পতিবারের মধ্যে এ সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতে গত রবিবার বিশেষায়িত এ ব্যাংকটির এমডিকে চিঠি দেয়।

চিঠিতে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট সিনিয়র অফিসার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিত্তিক পদোন্নতির ক্ষেত্রে সিনিয়র অফিসার হিসেবে চাকরিকাল তিন বছর চার মাস ও অফিসার হিসেবে পাঁচ বছরের অধিক বিবেচনায় নিয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার পদে ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল পদোন্নতি দেওয়া হয়।

২০১৪ সালের ২২ অক্টোবর প্রকাশিত রাকাবের সিনিয়র অফিসারদের খসড়া জ্যেষ্ঠতার তালিকায় এসব কর্মীর অবস্থান ছিল ২৪৫ থেকে ৩৯২ ক্রমিকের মধ্যে। ওই তালিকার ৮৫ থেকে ২৪৪ ক্রমিকের কর্মকর্তাদেরও একইভাবে প্রিন্সিপাল অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২০১০ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসে সরাসরি সিনিয়র অফিসার পদে যোগ দেওয়া কর্মকর্তাদের চাকরির বয়স ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিত্তিক পদোন্নতির ক্ষেত্রে সিনিয়র অফিসার হিসেবে তিন বছরের বেশি হলেও কর্মকর্তা হিসেবে পাঁচ বছরের কম হওয়ায় পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। ২০১৪ সালের ২২ অক্টোবর প্রকাশিত রাকাবের সিনিয়র অফিসারের খসড়া জ্যেষ্ঠ তালিকায় এদের অবস্থান ছিল ২৪ থেকে ৮৪ ক্রমিকের মধ্যে।

২০১০ সালে সরাসরি সিনিয়র অফিসার পদে যোগ দেওয়া কর্মকর্তাদের ২০১৬ সালের ২৪ মার্চ প্রিন্সিপাল অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ২০১০ সালে সরাসরি যোগ দেওয়া সিনিয়র অফিসাররা ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট সিনিয়র অফিসার হিসেবে পদোন্নতি পাওয়াদের তুলনায় জ্যেষ্ঠ ছিলেন। কিন্তু ওই ব্যাচকে ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল প্রিন্সিপাল অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়ায় ২০১০ সালের ব্যাচ জ্যেষ্ঠতায় পিছিয়ে পড়েন। এর ফলে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে রাকাব কী ব্যবস্থা নিয়েছে তাও জানতে চেয়ে ব্যাংকটির এমডিকে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন বিভাগ। এ বিষয়ে কোনো মামলা হলে বা এর সবশেষ অবস্থা জানাতে এমডিকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পরিদর্শন দলের দলনেতা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।