রাজশাহীতে সংক্রমণ বাড়লেও হাসপাতালে চাপ কম|340850|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
রাজশাহীতে সংক্রমণ বাড়লেও হাসপাতালে চাপ কম
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে সংক্রমণ বাড়লেও হাসপাতালে চাপ কম

রাজশাহীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। চলতি মাসের শুরুতে সংক্রমণের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। কিন্তু মাঝামাঝি এসে দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। গত বৃহস্পতিবার জেলায় ২২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৬০ জনের করোনা পজিটিভ হয়। নমুনা অনুযায়ী শনাক্তের হার ৭১ দশমিক ৭৫। সংক্রমণের উচ্চঝুঁকিতে পড়েছে রাজশাহী। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার সংক্রমণ বাড়লেও হাসপাতালে রোগীর তেমন চাপ নেই। কারণ এখন যারা সংক্রমিত হচ্ছেন, তাদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতার হার খুবই কম।

রাজশাহীর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার পর্যন্ত চলতি মাসের ২১ দিনে জেলায় ৪ হাজার ২৪২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯৪৭ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। গড় সংক্রমণের হার ২২ দশমিক ৩২। তবে শেষ তিন দিনে সংক্রমণ বেড়েছে। এর মধ্যে গত বুধবার জেলার ৩৯২টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে ১৫৬ (৩৯ দশমিক ৮০), বৃহস্পতিবার ২২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৬০ (৭১ দশমিক ৭৫) ও শুক্রবার ১০১টি নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে ২৯ জনের (২৪ দশমিক ৭১) করোনা পজিটিভ এসেছে। অথচ গত বছর সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে সংক্রমণ হার শূন্য শতাংশেও নেমেছিল। গত বছর ডিসেম্বরে ৬ হাজার ১৩১টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩১ জনের করোনা ধরা পড়ে, সংক্রমণের হার ছিল ২ দশমিক ১২।

শনাক্ত বাড়লেও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে বাড়েনি ভর্তি রোগী। ১০৪ শয্যার রামেক করোনা ইউনিটে গতকাল শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ভর্তি ছিলেন ৪৩ জন। তাদের মধ্যে রাজশাহীর ২৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬, নওগাঁর ৩, নাটোরের ২, পাবনার ৩, কুষ্টিয়ার ১ ও জয়পুরহাটের ৩ জন রয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত ৩০, উপসর্গ নিয়ে ৭ ও করোনা ধরা পড়েনি ৬ জনের। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন একজন। এ সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৬ জন।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, নমুনা পরীক্ষা করলেই বেশিরভাগের পজিটিভ হচ্ছে। তবে আশার কথা, আক্রান্ত বাড়লেও হাসপাতালে রোগীর চাপ নেই। রোগীদের হাসপাতালে আসা লাগছে কম। তবে রোগী আরও বাড়লে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে চারটির জায়গায় ১৪টি ওয়ার্ড করোনা ডেডিকেটেড করা হবে বলে জানান তিনি।