বাংলাদেশকে অভিনন্দন ডি ক্যাপ্রিওর|340856|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
সেন্টমার্টিন রক্ষায় পদক্ষেপ
বাংলাদেশকে অভিনন্দন ডি ক্যাপ্রিওর
রূপান্তর ডেস্ক

বাংলাদেশকে অভিনন্দন ডি ক্যাপ্রিওর

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে ‘সুরক্ষিত সামুদ্রিক অঞ্চল’ (মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া) ঘোষণা করায় বাংলাদেশের সরকার, সেন্টমার্টিনের স্থানীয় জনগণ ও এই দ্বীপের জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা এনজিওসমূহকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হলিউড তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।

চমৎকার এই উদ্যোগ বাংলাদেশের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষা দেবে এবং প্রবালের আবাসভূমি হয়ে উঠবেআশা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, দ্বীপের সার্বিক পরিবেশ রক্ষায় এখন মনোযোগ দেওয়া উচিত হবে সবার।

গত শুক্রবার সকাল ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে ডিক্যাপ্রিও লেখেন, ‘বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন অসাধারণ জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ। ৬৭২ বর্গমাইলের এই দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত এবং প্রবাল, ইন্দো-প্যাসিফিক হ্যাম্পব্যাক ডলফিন, বিপদাপন্ন তিমি হাঙরসহ বহুসংখ্যক সামুদ্রিক প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। এ কারণে সেন্টমার্টিনকে সংরক্ষিত সামুদ্রিক অঞ্চল ঘোষণা করায় আমি বাংলাদেশের সরকার, স্থানীয় জনগণ ও এই পদক্ষেপের জন্য কাজ করা এনজিওসমূহকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এখন, পরবর্তী পদক্ষেপ হলো দ্বীপের স্বাভাবিক প্রাকৃতিক পরিবেশ যতদূর সম্ভব ফিরিয়ে আনা। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে, যেমনসংরক্ষিত সামুদ্রিক অঞ্চল সম্পর্কিত বিধিনিষেধ নিয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো, সেসব বিধিনিষেধ ঠিকমতো পালন হচ্ছে কি নাতা যথাযথ নজরদারির আওতায় আনা, সেন্টমার্টিনের অভ্যন্তরীণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করা এবং ক্ষয়িষ্ণু প্রবাল প্রাচীর রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।’ ৪৭ বছর বয়সী ডিক্যাপ্রিও এরই মধ্যে নিজেকে পরিবেশবাদী হিসেবে পরিচিত করে তুলেছেন।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার সীমান্তের কাছে সাগরের বুকে ৮ দশমিক ৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন। প্রশাসনিকভাবে এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন। সেখানে গ্রাম আছে সব মিলিয়ে ৯টি। স্থায়ী বাসিন্দা প্রায় ১০ হাজার।