এক বিএনপি নেতা দুই কমিটির আহ্বায়ক|340873|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
এক বিএনপি নেতা দুই কমিটির আহ্বায়ক
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

এক বিএনপি নেতা দুই কমিটির আহ্বায়ক

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নিজের স্বাক্ষরে নিজেকে আহ্বায়ক ঘোষণা করে জেলার অধীনে থাকা তারাব পৌরসভা কমিটি অনুমোদন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই কমিটি অনুমোদনের পর বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হলে কমিটির কাগজ গণমাধ্যকর্মীদের না দিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি। যদিও গত শুক্রবার দুপুরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব তারাব পৌর কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি দেশ রূপান্তরসহ একাধিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকের কাছে স্বীকার করেন।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির অধীনে থাকা পাঁচটি থানা ও পাঁচটি পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেন জেলার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাসিরউদ্দিন ও সদস্য সচিব মামুন মাহমুদ। ১০টি ইউনিটেরই আহ্বায়ক কমিটি ৩১ সদস্যের করা হয়েছে। এর মধ্যে তারাব পৌরসভার কমিটিতে নাসিরউদ্দিনকে (জেলার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক) আহ্বায়ক ও জকির হোসেন রিপনকে সদস্য সচিব করা হয়। নিজের স্বাক্ষরে এ কমিটি অনুমোদন দেন নাসিরউদ্দিন নিজেই। নাসিরউদ্দিন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির জ্যেষ্ঠ আহ্বায়ক ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি রূপগঞ্জের তারাব পৌর বিএনপিরও সভাপতি ছিলেন। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় গত ২৪ ডিসেম্বর জেলা বিএনপির আহ্বায়কের পদ থেকে তৈমূর আলম খন্দকারকে সরিয়ে প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবিকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বিএনপি। পরে ১১ জানুয়ারি সহিংসতা ও গাড়ি পোড়ানোর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর ১৯ জানুয়ারি নাসিরউদ্দিনকে জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হয়।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদে থেকেও নিজেকে তারাব পৌর কমিটির আহ্বায়ক করার তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে নাসিরউদ্দিন গতকাল শনিবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্দেশে দ্রুততম সময়ে তিন দিনের মধ্যে কমিটি অনুমোদন করতে পেরেছি। এটা আমাদের সফলতা বলে আমি মনে করি। আশা করছি কমিটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে তারাব পৌরসভা কমিটি নিয়ে কিছুটা সমস্যা আছে। তাই এটার কাগজ আমরা প্রেসে দিইনি। এটা আমরা দেখছি।’

একই বিষয়ে বক্তব্য জানতে গতকাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মামুন মাহমুদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।