১১ নির্দেশনা মানতে হবে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে|340881|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
১১ নির্দেশনা মানতে হবে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে
নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ নির্দেশনা মানতে হবে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। তবে এ সময়ে অনলাইন বা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সেইসঙ্গে খোলা থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয়। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে। গতকাল শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ১১ দফা মানতে বলা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর গত সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও সশরীরে ক্লাস শুরু হয়েছিল। এরই মধ্যে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে চার মাস পর আবারও দুই সপ্তাহের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গত শুক্রবার সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধসহ নতুন বিধিনিষেধের কথা জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বন্ধের মধ্যে কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলবে সেজন্যই ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা কার্যক্রম চালু থাকার কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের সঙ্গে সমন্বয় করবে বলে বলা হয়েছে।

নির্দেশনার মধ্যে আরও রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় শ্রেণিকক্ষ, গ্রন্থাগার, গবেষণাগারসহ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ইন্টারনেট, পানি ও গ্যাস সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ ও সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে; যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাস বা ছাত্রীনিবাসে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে তাদের সুবিধার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেগুলো খোলা থাকবে, তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে; মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, শিক্ষক ও কর্মচারীর অবশ্যই টিকা সনদ থাকতে হবে; দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।