বাণিজ্যমেলা বন্ধ ও বইমেলা পেছানোর পক্ষে|341456|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০
জাতীয় কারিগরি কমিটি
বাণিজ্যমেলা বন্ধ ও বইমেলা পেছানোর পক্ষে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাণিজ্যমেলা বন্ধ ও বইমেলা পেছানোর পক্ষে

বর্তমানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতিতে চলমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা বন্ধ করা এবং বইমেলার সময় আরও পিছিয়ে দেওয়া উচিত বলে ব্যক্তিগত মত দিয়েছেন কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা। তবে কমিটির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সরকারকে কোনো সুপারিশ করা হয়নি।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘ওমিক্রন মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয়’ শীর্ষক এক জরুরি মতবিনিময় সভায় ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা চলমান বাণিজ্যমেলা ও অনুষ্ঠেয় বইমেলার বিষয়ে তার ব্যক্তিগত মত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে বাণিজ্যমেলা এখন অবশ্যই বন্ধ করা উচিত। এখন করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এটা একটা সময়ে কমে যাবে। তখন আমরা বইমেলা করতে পারি। এখন কিছু দিনের জন্য বইমেলা পিছিয়ে দেওয়া উচিত।

এ সময় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সভাপতি বলেন, সাউথ আফ্রিকাতে তারা শুধু মাস্ক পরা নিশ্চিত করে সংক্রমণ অনেক নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে। ওখানে আর লকডাউন দেয়নি। যতক্ষণ সবাইকে মাস্ক পরাতে না পারবেন ততক্ষণ কোনো কিছু করলেও লাভ হবে না। সংক্রমণ রোধ হবে না। দেশের মানুষ যদি জীবন-জীবিকাসহ অন্যান্য বিষয় ঠিক রাখতে চায় তাহলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে তাদেরও অংশগ্রহণ করা উচিত।

পরে এ ব্যাপারে জাতীয় কারিগরি কমিটির পক্ষ থেকে সরকারকে কোনো সুপারিশ করা হয়েছে কিনা, তা নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিদেখা দেয়। এ বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমরা কমিটির পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো সুপারিশ করিনি। কেউ হয়তো ভুল তথ্য দিয়েছে। আমরা নির্দিষ্ট করে এমন কিছুই বলিনি। আমরা বলেছি, জনসমাগম বন্ধ করতে, সেই আলোকে সরকার যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করলেই হয়। সেগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে না।