আপনার জিজ্ঞাসা|360192|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ মে, ২০২২ ০০:০০
আপনার জিজ্ঞাসা

আপনার জিজ্ঞাসা

অজুর অঙ্গ ধোয়ার সুন্নত পদ্ধতি

মো. আবদুল্লাহ আল মারুফ, মুগদা, ঢাকা

প্রশ্ন : অজুতে হাত ও মুখ ধোয়ার পর ট্যাংকির পানি শেষ হয়ে যায়। প্রায় আধা ঘণ্টা পর পানি এলে পুনরায় অজু করি। জানার বিষয় হলো, আগের অজুর বাকি অংশ পুরো করে নিলেই হবে, নাকি পুনরায় অজু করতে হবে?

উত্তর : এ ক্ষেত্রে পুনরায় শুরু থেকে অজু করা উত্তম। কেননা অজুতে এক অঙ্গ শুকানোর আগে অন্য অঙ্গ ধৌত করা সুন্নত। অবশ্য এ অবস্থায় অঙ্গগুলো শুকিয়ে গেলেও অজু ভেঙে যায়, এমন কোনো কিছু যদি না ঘটে থাকে তাহলে বাকি অজু সম্পন্ন করে নিলেও হয়ে যাবে। আল মাবসুত, সারাখসি : ১/৫৬

ঋতুস্রাবকালে কোরআন তেলাওয়াত

মুহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস, লাখাই, সুনামগঞ্জ

প্রশ্ন : এক মহিলা জিনের আছর ও জাদু-টোনা থেকে রক্ষার জন্য সর্বদা তেত্রিশ আয়াতের আমল করে। তার জন্য ঋতুস্রাবকালে এই তেত্রিশ আয়াত পাঠের বিধান কী?

উত্তর : মাসিক স্রাব চলা অবস্থায় তেত্রিশ আয়াতের মনজিল পাঠ করা যাবে না। কেননা এ অবস্থায় কোরআন তেলাওয়াত নিষিদ্ধ। তবে অন্য কেউ তেত্রিশ আয়াত পড়ে ওই মহিলার ওপর দম (ফুঁ দেওয়া) করতে পারবে। এ ছাড়া ওই মহিলা হাদিসে বর্ণিত মাসনুন দোয়াগুলো পড়তে পারবে। আল মুহিতুল বুরহানি : ১/৪০২

নামাজে মূত্রফোঁটা বের হয়েছে বলে সন্দেহ হলে

সামছুল ইসলাম, উত্তরা, ঢাকা

প্রশ্ন : প্রস্রাবের পর ভালো করে টিস্যু ব্যবহার করা সত্ত্বেও মনে হয় মূত্রফোঁটা বের হয়েছে। যাচাই করে কিছুই পাই না। এমতাবস্থায় করণীয় কী? নামাজে মূত্রফোঁটা বের হলে কি নামাজ ভেঙে যাবে?

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার কর্তব্য, উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জনের পর সেখানে কিছু পানি ছিটিয়ে দেওয়া। তারপর আর যাচাই করতে না যাওয়া এবং নামাজে দাঁড়িয়ে মূত্রফোঁটা এলো কি না সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে নামাজ চালিয়ে যাওয়া। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-কে এক লোক তার এই সমস্যার কথা জানালে তিনি তাকে এমনটি করতে বলেন এবং তাকে এই আদেশ দেন, ‘তুমি অজুর পর তোমার লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে নেবে। অতঃপর যদি আর্দ্রতা অনুভব হয় তবে সেটাকে তোমার ছিটানো পানির আর্দ্রতা বলে মনে করবে।’ মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক : ৫৮৩

আপনিও এভাবে পবিত্রতা অর্জন ও নামাজ আদায় করবেন। আর সন্দেহকে মোটেও মনে স্থান দেবেন না। কিতাবুল আসল : ১/৫৩