দখলে শ্বাসরুদ্ধ আট নদী|360226|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ মে, ২০২২ ০০:০০
দখলে শ্বাসরুদ্ধ আট নদী
সুমন্ত চক্রবর্ত্তী, খুলনা

দখলে শ্বাসরুদ্ধ আট নদী

খুলনার ডুমুরিয়ায় হামকুড়া নদীতে নব্বইয়ের দশকেও ছিল জোয়ার-ভাটার নিয়মিত প্রবাহ। এখন জোয়ার-ভাটা দূরের কথা, নদীরই কোনো অস্তিত্ব নেই। পলি পড়ে ভরাট হয়ে নদীর বুক উঁচু জমিতে রূপ নিয়েছে। আর এ সুযোগে তা দখল করে যে যার মতো মাছের ঘের তৈরি ও বসতবাড়ি নির্মাণসহ চাষাবাদে ব্যবহার করছে। হামকুড়ার মতো একই দশা খুলনার আরও সাতটি নদী ও শাখা নদীর। পলি জমে ভরাট হয়ে সেগুলোও এখন উঁচু জমিতে রূপ নিয়েছে। এসব নদীতেও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে বহু ইটভাটা। এগুলোর পাশাপাশি খুলনাতে আরও এমন কিছু নদী রয়েছে যেগুলোতে এখনো জোয়ার-ভাটার প্রবাহ থাকলেও পলি জমে প্রাণ হারাতে বসেছে। এসব নদীতেও থাবা বসানো শুরু করেছে প্রভাবশালী অবৈধ দখলদাররা।

এদিকে সমস্যার সমাধানে পরিকল্পিত পদক্ষেপ না নিয়ে মাঝেমধ্যেই নদী খননের নামে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় করা হয় বলে অভিযোগ নদীপাড়ের মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, ষাটের দশকে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ ও কৃষিজমিকে লবণ পানি থেকে রক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোর পাড়ে উঁচু বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে পোল্ডার করা হয়। এতে মূল নদী ও এর সঙ্গে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা শাখা নদীগুলোর পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। যার প্রভাবে পলি জমে ভরাট হয়ে অনেক নদীই এখন মৃত।

পরিবেশবাদী সংগঠন কেন্দ্রীয় পানি কমিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোতে বছরে প্রায় ১০৬ কোটি মেট্রিক টন পলি প্রবাহিত হয়। যা একসময় নদীসংলগ্ন নিচু ভূমি, কৃষিজমি ও বসতভিটায় জমা হতো। কিন্তু বেড়িবাঁধের নেতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি নদীতে পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় পলি এখন জমা হচ্ছে নদীতে। আর এতে করে নদীগুলো প্রাণ হারিয়ে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে। পানি ও মাটিতে লবণাক্ততা এবং এর পরিধিও বাড়ছে। মিষ্টি পানির আধারগুলো দখল করে নিচ্ছে লবণ পানি। ভূগর্ভের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সংকট আরও বাড়ছে। জীববৈচিত্র্যে (ইকোসিস্টেম) ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বসতবাড়ি ও ফসলি জমিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

হামকুড়া নদীপাড়ের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘স্বাধীনতার পরও হামকুড়া নদীতে বড় বড় পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ চলেছে। এখন নদীটির কোনো অস্তিত্বই নেই। নদী চলাচলের জায়গায় কয়েকটি সেতু দাঁড়িয়ে থাকায় বোঝা যায় এখানে একসময় নদী ছিল।’

খুলনা অঞ্চলের বেশ কয়েকটি নদী প্রাণহীন হয়ে পড়ার তথ্য জানিয়ে খুলনার নদী বাঁচাও আন্দোলনের নেতা ও কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি এবিএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হামকুড়া নদীর মতো অসংখ্য নদী ইতিমধ্যে মরে গেছে। অস্তিত্বহীন হয়েছে মরিচ্ছাপ, ঘ্যাংরাইল, ভদ্রা শালতা, হিসনা, কুমার, মুক্তেশ্বরী, হরি ও শ্রী নদী। আঠারোবেকি নদীর এখন ৫০ ভাগই মৃত। বেতনা, নবগঙ্গা, চিত্রা, কাজিবাছা, শালতা, কাকশিয়ালী, পশুরসহ খরস্রোতা নদীগুলোও মৃতের পথে। মূলত দক্ষিণাঞ্চলের কুমার, নবগঙ্গা, চিত্রা, ভৈরব, কপোতাক্ষ, ইছামতীসহ অসংখ্য নদীর উজানের পানির উৎসমুখ মাথাভাঙ্গা নদী। আর মাথাভাঙ্গা নদীর উৎসমুখ পদ্মা। এই মাথাভাঙ্গা নদীতে উজানের পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোর অস্তিত্ব বিলীন হচ্ছে।’

খননের নামে গচ্চা ৪৬ কোটি টাকা : জলাবদ্ধতা নিরসনে ৪৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পুনঃখননের মাত্র এক বছরেই ফের ভরাট হয়ে গেছে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা ও শালতা নদী। ফলে নদী খননের যে আসল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল তা পুরো ভেস্তে যায়। নদী দুটিতে এখন শুধু পলি আর পলি। পানি নেই বললেই চলে। চারদিকে ধু-ধু বালু চর। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, খর্ণিয়ার তেলিগাতি ও টিয়াবুনিয়া বাঁধ কেটে দেওয়াতে পানির সঙ্গে পলি এসে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, মাত্র ১৪-১৫ বছর আগেও ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা ও শালতা নদী ঘিরে হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা চলত। জোয়ার-ভাটা, মাছ শিকার ও নৌযান চলাচল ছিল নিত্যনৈমিত্তিক চিত্র। অর্থনৈতিক উন্নয়নেও নদী দুটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে ও নানা প্রতিকূলতায় ভদ্রা ও শালতা নদীর প্রায় ৩০ কিলোমিটার অংশ পলি পড়ে নাব্য হারিয়ে ভরাট হয়ে যায়। আর ভরাটের সঙ্গে সঙ্গে নদীর বুকজুড়ে শুরু হয় অবৈধ দখল। প্রভাবশালীরা যে যার মতো করে ভরাট হওয়া নদীর বুক দখল করে নেয়। দখলবাজ চক্র ভরাট হওয়া জমিতে গড়ে তোলে বসতবাড়ি, রাইস মিল, স’মিল, বাজার ও বহুতল ভবনসহ নানা স্থাপনা। ফলে ওই এলাকার পানি নিষ্কাশনের পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সামান্য বৃষ্টিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতায় করুণ পরিণতির সৃষ্টি হয়। হাজার হাজার বিঘা কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক বসতবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়ে।

পাউবোর খুলনা-১ কার্যালয়ের তথ্যমতে, নদী দুটি খননের জন্য ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজল (ডিপিপি) জমা দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একনেকের বৈঠকে ৭৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্প অনুমোদন পায়। যা বাস্তবায়নের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় ২০১৮-১৯ অর্থবছর। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো নকশা ও প্রাক্কলন অনুযায়ী ভদ্রা নদীর দক্ষিণ অংশে ডুমুরিয়ার দিঘলিয়া থেকে ডুমুরিয়া বাজার পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭ কিলোমিটার এবং উত্তরাংশের তেলিগাতি থেকে ডুমুরিয়া বাজার পর্যন্ত ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার খনন করে। এছাড়া সালতা নদীটি ডুমুরিয়া বাজারের ভদ্রা নদী থেকে শুরু হয়ে ৯ কিলোমিটার খনন করে শৈলমারী নদীতে সংযুক্ত করা হয়।

নদী খননে কোনো সুফল মেলেনি জানিয়ে ডুমুরিয়ার শোভনা গ্রামের বাসিন্দা মফিজুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে লবণ পানি প্রবেশ করায় কৃষিকাজেও ভদ্রা নদীর পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে নদী খননে ব্যয় হওয়া পুরো টাকা পানিতে গেছে। তাছাড়া প্রকল্পের অন্যতম অঙ্গ দিঘলিয়া ও তেলিগাতি প্রান্তে ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি স্লুইসগেট নির্মাণের কথা থাকলেও ওই দুটি নির্মাণ না করেই কাজ সমাপ্ত করা হয়। সংগতকারণেই ওই টাকা মন্ত্রণালয়েই ফেরত গেছে। ফলে জোয়ার-ভাটায় মাত্র এক বছরেই পলিতে নদী ফের ভরাট হয়ে যায়।’

ইটভাটায় গিলছে নদী : ইটভাটা নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম, পরিবেশ আইন বা ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন কোনো কাজেই আসছে না। খুলনার বটিয়াঘাটার কাজিবাছা, পাইকগাছার শিপসা, কয়রার কপোতাক্ষ, ডুমুরিয়ার ভদ্রা, হরি, ঘ্যাংরাইলসহ বিভিন্ন নদীর পাড়ে ইটভাটা গড়ে তোলা হয়েছে। এসব ভাটামালিক প্রতি বছর নদীর বুক দখল করে ভাটার বিস্তৃতি বাড়াচ্ছে। ইটভাটা মালিকদের জমি দখলের থাবা থেকে নদীগুলো বাঁচতে পারছে না। এসব ভাটামালিক প্রভাবশালী এবং রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকায় হয়ে উঠেছে বেপরোয়া।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তালিকা অনুযায়ী, খুলনা জেলার ৯ উপজেলায় বৈধ ইটভাটা রয়েছে ১০০টি। পাউবো বলছে, খুলনার ভদ্রা, হরি, শৈলমারী, আতাই ও আঠারোবেকি নদীর দুই তীর দখল করে গড়ে উঠেছে ৫০টি ইটভাটা। খুলনা জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, খুলনা জেলায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইটভাটার সংখ্যা ১৫৩টি। তবে এর বাইরে অবৈধ ইটভাটা রয়েছে আরও শতাধিক। যার অধিকাংশই নদী দখল করে গড়ে উঠেছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা হরি ও ভদ্রা নদীর। এ দুটি নদীর ৪ কিলোমিটারের মধ্যে গড়ে তোলা হয়েছে ১৮টি ইটভাটা। ইটভাটার মালিকরা জায়গা দখল করায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে। কোথাও কোথাও নদী প্রায় মরে গেছে। এতে ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে সেতু ও বাজার। এসব ভাটা নদীর পশ্চিম পাশে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে নদীর ভেতরে অর্ধেক জায়গা (২০-২৫ ফুট) দখল করে ফেলেছে। কোথাও কোথাও নদী দখলের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গেছে। আবার কোথাও কোথাও দখলের কারণে নদী যেন পরিণত হয়েছে ছোট নর্দমায়।

এলাকাবাসী জানায়, ভাটাগুলোর মালিকরা নদীতে বাঁধ দিয়ে ছোট ছোট পুকুর নির্মাণ করছেন। পরে এসব পুকুরে জমা পলিমাটি দিয়ে তৈরি করা হয় ইট। এভাবে বাঁধ দেওয়ায় নদীর স্রোত কমে যাচ্ছে। পলি পড়ে নদী দুটি নাব্য হারাচ্ছে, পাল্টে যাচ্ছে গতিপথ। আবার কোথাও নদী প্রায় মরে গেছে। নদীপাড়ের মানুষ বলছে, জেলা প্রশাসনের সুষ্ঠু তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ভাটামালিকদের দখলদারিত্ব বেড়েই চলেছে।

হরি নদীপাড়ের খর্ণিয়া গ্রামের ইকবাল হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভাটাগুলো প্রতিনিয়ত নদী মেরে ফেলছে। রাতের আঁধারে বস্তার মধ্যে ইটের ছোট-বড় টুকরো ভরে ভাটার সামনে নদীতে ফেলছে। সেখানে পানি বাধা পেয়ে পলি জমছে, তখন সেখানে বাঁধ দিয়ে দিচ্ছে। এভাবে নদীকে মেরে ফেলছে।’

সংশ্লিষ্টরা যা বলছেন : বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) খুলনার সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান মুকুলের মতে, মূলত ফারাক্কার প্রভাবেই দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। বাকিটা নদীপাড়ের ইটভাটা মালিক ও অবৈধ দখলদাররা শেষ করছে।

ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, ‘সরকার বলছে নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। আর ভাটামালিকরা বলছে নদী মরলে আমরা বাঁচব। নদী দখল হলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লাভ বেশি। তারা খননের নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট করতে পারবে। সে কারণে তারা কিছু বলে না। আর নদীগুলো ভরাট হলে নদীর পাশে বসবাসকারী হাজারো মানুষ বছরের আট মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকবে।’

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মারুফ বিল্লাহ জানান, বৈধ ইটভাটার তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আর অবৈধগুলো উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজ চলমান রয়েছে।

অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি হয়েছে জানিয়ে পাউবোর খুলনা-১ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, ‘ইতিমধ্যে অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। তারা নিজেরা স্থাপনা সরিয়ে না নিলে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তাছাড়া বিআইডব্লিউ দখলদারদের উচ্ছেদে কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডুমুরিয়ায় বড় নদীর মধ্যে হামকুড়া একটি। নদীটি গিয়ে পড়েছে ভদ্রা নদীতে। হামকুড়া নদী খননের ব্যাপারে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (ফিজিবিলিটি স্টাডি) কাজ করা হয়েছিল। নদীটি খননের জন্য সেই প্রতিবেদনটি যাচাই করতে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভদ্রা নদী খননে আমাদের পরিকল্পনায় যে স্টাডি রিপোর্টটা রয়েছে সেটা রিভিউ করে পরবর্তী সময়ে ভদ্রা নদী খননের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে ডিপিপি প্রণয়ন করা হবে। সেই আলোকে কাজ সম্পন্ন করা হবে।’

নদী দখল রোধ করতে না পারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন তৎপর হলেই অবৈধভাবে কেউ নদী দখল করে ইটভাটা স্থাপন করতে পারবে না। ঢাকায় যদি নদী দখলমুক্ত করা যায় তবে খুলনায় কেন যাবে না?’