পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ|360351|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ মে, ২০২২ ২০:০০
পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক

পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার) ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শনিবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দাবি করেছে ভারতের অর্থ-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)।

সংস্থাটি জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯টি স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে ইডি। তারা কয়েকটি অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছেন। বাড়িগুলো থেকে জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথি উদ্ধার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে পিকে হালদারের ২০ থেকে ২২টি বাড়ি আছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও দুদকের অনুরোধে ভারতে এ অভিযান চালানো হয়।

দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ দখলদার ও খেলাপি পি কে হালদারের জন্ম পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার দিঘিরজান গ্রামে। বাবা প্রয়াত প্রণনেন্দু হালদার ও মা লীলাবতী হালদার। তাঁর মা ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

পি কে হালদার প্রথমে রিলায়েন্স ফাইন্যান্স ও পরে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্যাংকবহির্ভূত আরও চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিজ কর্তৃত্বে ও নিয়ন্ত্রণে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ ওঠে পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পি কে হালদার ও তার কয়েকজস বান্ধবীসহ ৩৩ সহযোগীর বিরুদ্ধে ১০টি মামলা করেছে।

দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান করেছেন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে চার সদস্যের দল।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পি কে হালদারের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে অনেক তথ্য। পি কে হালদারের ‘ছায়া পি কে’ ছিলেন তার কথিত বান্ধবী নাহিদা রুনাই ও অবন্তিকা বড়াল। পি কের ঘনিষ্ঠ মহলে তাদের পরিচিতি ছিল ‘বড় আপা’ ও ‘ছোট আপা’ নামে। তাদের দিয়ে পি কে হালদার সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে রাখতেন। পি কে উচ্চমহলের আশীর্বাদ পেতে নাহিদা রুনাইকে ব্যবহার করতেন। তাছাড়া তিনি ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট। আর অবন্তিকা বড়াল ছিলেন পিপলস লিজিংয়ের নিয়ন্ত্রক।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, পি কে হালদার তার সহযোগীদের জাল এনআইডি দিয়ে নাহিদা রুনাই আহমেদ, রাফসান, সোহাগ, আবদুল আলিমসহ কয়েকজনের সহায়তায় রিলায়েন্স ফাইন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এবং এফএএস লিজিং থেকে প্রায় দুই ডজন ভুয়া কোম্পানির নামে ২০১৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সময়ে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। এ টাকার পুরোটাই বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দুর্নীতি, জালিয়াতিসহ নানাবিধ অনিয়মের মাধ্যমে ভুয়া ঋণ হিসাবের অনুকূলে ঋণের নামে লেয়ারিং করেন তারা। এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে অর্থ সরান পি কে হালদার। এ ক্ষেত্রে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের মাত্র দুটি ঠিকানা ব্যবহার করেন পি কে ও তার সহযোগীরা।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুল হক, ভারপ্রাপ্ত এমডি আবেদ হোসেন, চেয়ারম্যান এমএ হাশেম এবং বোর্ড সদস্যরা অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা প্রতারণার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঋণের বিপরীতে কোনো মর্টগেজ নেননি। মর্টগেজ না নিয়ে ১০টি কাগুজে প্রতিষ্ঠানের কথিত মালিককে ঋণ পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। যারা মূলত পি কেরই সহযোগী। তারা ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে ঋণের নামে ৭০০ কোটি টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। ওই টাকা লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে ভুয়া কোম্পানি এবং বিভিন্ন ব্যক্তির হিসাবে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তর করেন। যা অর্থ পাচার আইনে অপরাধ। যার পরিপ্রেক্ষিতে দুদক ৩৭ আসামির বিরুদ্ধে ১০টি মামলার সুপারিশ করেছে। প্রত্যেকটি মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে পি কে হালদারের নাম।

পি কে হালদার ও তার সহযোগীরা যেসব কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ সরিয়ে নেন সেগুলো হচ্ছে কোলাসিন লিমিটেডের নামে ৬০ কোটি টাকা, লিপরো ইন্টারন্যাশনালের নামে ১৭৪ কোটি, উইন্টেল ইন্টারন্যাশনালের নামে ৬৮ কোটি ৫০ লাখ, ওকায়ামা লিমিটেডের নামে ৮৭ কোটি ৬০ লাখ, আর্থস্কোপ লিমিটেডের নামে ৯৮ কোটি ৯১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৮৬, নিউট্রিক্যাল লিমিটেডের নামে ৬০ কোটি, দ্রিনান অ্যাপেয়ারেলসের নামে ৬০ কোটি, কনিকা এন্টারপ্রাইজের নামে ৬০ কোটি, আরবি এন্টারপ্রাইজের নামে ৫৫ কোটি ও ইমোক্সের নামে ৫৮ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দুদক কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপকালে জানান, পি কে নিজে যেমন বান্ধবীদের নিয়ে বিদেশ সফরে যেতেন তেমনি বিভিন্ন সময় দুর্নীতির সহযোগী ও সহকর্মীদের বিভিন্ন দেশে প্রমোদ ভ্রমণে পাঠাতেন। আর এসব উচ্চাভিলাষী ভ্রমণের ব্যয় নির্বাহ করতেন পি কে নিজেই। পি কের অন্যতম বান্ধবী ছিলেন অবন্তিকা বড়াল ও নাহিদা রুনাই। পি কের বিদেশ ভ্রমণে এদের কেউ না কেউ সঙ্গীনি হতেন। তবে দুজনকে একসঙ্গে নিতেন না। আলাদাভাবে দুজনকে নিয়ে ২০ থেকে ২৫ বার সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেন পি কে। তার সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে অবন্তিকা ও রুনাইয়ের মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল। পি কে গোপনে অবন্তিকাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে ঘুরতে যান। রুনাই বিষয়টি জানতে পেরে পি কের ওপর চড়াও হন। অবন্তিকাকে নিয়ে গোপনে বিদেশ যাওয়াকে কেন্দ্র করে একবার এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে পি কের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া করেন রুনাই। এছাড়া রাতে পি কের বাসায় গিয়ে ভাঙচুরও করেন। এছাড়া অবন্তিকাকে নিয়ে গোপনে বিদেশ যাওয়ার সময় তাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে হাতেনাতে ধরে নিয়ে আসেন। ওই যাত্রায় পি কে-অবন্তিকা বিদেশ না গিয়ে ফিরে আসেন। ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে রুনাই ও অবন্তিকার সঙ্গে পি কে সময় কাটাতেন। পরিচিতজনরা নাহিদা রুনাইকে বড় আপা এবং অবন্তিকা বড়ালকে ছোট আপা বলে ডাকতেন। এছাড়া নাহিদা চালাতেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং আর অবন্তিকা চালাতেন পিপলস লিজিং। অবন্তিকা দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, অবন্তিকা ও নাহিদা ছাড়াও অনামিকা মল্লিক, মহানন্দ তরুয়া, রচনা মন্ডল ও মিরা দেউরিসহ কয়েকজন বান্ধবী তার অর্থ পাচার ও আত্মসাতে সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পি কে হালদার ও তার ভাই প্রীতিশ কুমার হালদার বুয়েট থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে দুজনই ব্যবসায় প্রশাসনের আইবিএ থেকে এমবিএ করেন। পাশাপাশি চার্টার্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট (সিএফএ) সম্পন্ন করেন পি কে হালদার। 

শিক্ষাজীবন শেষে পি কে হালদার যোগ দেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে, ২০০৮ সাল পর্যন্ত উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন। ১০ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিয়েই ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি পদে যোগ দেন।

দুই ভাই মিলে ভারতে হাল ট্রিপ টেকনোলজি নামে কোম্পানি খোলেন ২০১৮ সালে। এর পরিচালকদের মধ্যে অন্যতম প্রীতিশ কুমার হালদার। কানাডায় পিঅ্যান্ডএল হাল হোল্ডিং ইনক নামে কোম্পানি খোলা হয় ২০১৪ সালে, যার পরিচালক পি কে হালদার, প্রীতিশ কুমার হালদার ও তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা সাহা। কানাডা সরকারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কানাডার টরন্টোর ডিনক্রেস্ট সড়কের ১৬ নম্বর বাসাটি তাদের।

পি কে হালদারের দখল করা প্রতিষ্ঠান চারটি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

মূলত শেয়ারবাজার থেকে শেয়ার কিনে চারটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন পি কে হালদার। এভাবে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পিপলস লিজিং ও বিএফআইসির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একধরনের সহায়তা ছিল। এই দুই প্রতিষ্ঠানের আগের পরিচালনা পর্ষদের একাধিক সদস্য আইন ভেঙে নামে-বেনামে ঋণ নেওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এই সুযোগে এসব কোম্পানির শেয়ার কিনে প্রতিষ্ঠান দুটির নিয়ন্ত্রণ নেন পি কে হালদার।

চারটি প্রতিষ্ঠান দখলে নিলেও কোনো প্রতিষ্ঠানেই পি কে হালদারের নিজের নামে শেয়ার নেই। নিজেকে আড়ালে রাখতে এমন কৌশল নেন তিনি। নিজের নামের সঙ্গে মিল রেখে পি কে হালদার গড়ে তুলেছেন একাধিক প্রতিষ্ঠান, যার বেশির ভাগই কাগুজে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পি কে হালদার ও তাঁর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে জমা হয় প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা, পি কে হালদারের হিসাবে ২৪০ কোটি টাকা এবং তাঁর মা লীলাবতী হালদারের হিসাবে জমা হয় ১৬০ কোটি টাকা। তবে এসব হিসাবে এখন জমা আছে ১০ কোটি টাকার কম। অন্যদিকে পি কে হালদার এক ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকেই ২ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ বের করে নিয়েছেন।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, এসব টাকা দিয়েই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা কেনা হয়। তবে ঋণ নেওয়া পুরো টাকার হদিস মেলেনি। নিয়ন্ত্রণ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্ষদে বসেছেন পি কে হালদারের একসময়ের সহকর্মী ও আত্মীয়রা। আর মালিকানা পরিবর্তনে সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দুদক জানায়, পি কে হালদারের দখল করা চারটি প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও রিলায়েন্স লিজিং (বর্তমান নাম আভিভা ফাইন্যান্স) থেকে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করা হয়েছে।

দুদক পি কে হালদারের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার মূল্যের জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাটসহ অন্যান্য স্থাবর সম্পদ ক্রোক করেছে। এ ছাড়া তাঁর ও তাঁর অর্থ কেলেঙ্কারির সহযোগীদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ৩৪টি মামলা করেছে দুদক। এসব মামলায় পি কে হালদারসহ আসামি ৮০ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার ১২ জন বর্তমানে জেলে।

এ পর্যন্ত আলোচিত পি কে হালদারের ৮৩ সহযোগীর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জনের সম্পদের হিসাব বিবরণী চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। পি কে হালদারের ৬৪ সহযোগীর বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।