সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে গোলটেবিলে আলোচনা|360565|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৫ মে, ২০২২ ২০:৪৭
সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে গোলটেবিলে আলোচনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে গোলটেবিলে আলোচনা

সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে শেরে-বাংলা নগরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের কার্নিভাল হলে সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের উদ্যোগে গোলটেবিল অনুষ্ঠিত হগেয়ছে। 'সুনীল অর্থনীতি: জাতীয় অগ্রগতিতে এর প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের সম্ভাবনা' নিয়ে ওই গোলটেবিল অনুষ্ঠিত হয়। 

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এ বিষয়ে গোলটেবিল পরামর্শমূলক পলিসি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) মিজ জুয়েনা আজিজ এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্সের সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন। রামর্শমূলক পলিসি সংলাপের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মো: কাউসার আহাম্মদ। 

উক্ত অনুষ্ঠানে সুনীল অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য অধ্যাপক ও গবেষক, বিভিন্ন বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।  

পরামর্শমূলক পলিসি সংলাপে সুনীল অর্থনীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে আটটি প্রধান থিম্যাটিক এরিয়ার ভাগ করা হয়। 

এগুলো হলো- ১. মেরিন ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার, ২. মেরিন শক্তি, ৩. মেরিন বায়োটেকনোলজি এবং থেরাপিউটিকস, ৪. মেরিন পর্যটন, ৫. জাহাজ ও বন্দর ব্যবস্থাপনা, ৬. সমুদ্র শাসন এবং ব্যবস্থাপনা, ৭. মেরিন ফাইন্যান্স এবং ৮. স্যাটেলাইট ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড আইসিটি। 

বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এসব সেক্টরের বর্তমান ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে উক্ত সংলাপে অংশগ্রহণকারী স্টেকহোল্ডাররা বিশদ আলোচনা করেন। সেখানে সুনীল অর্থনীতির টেকসই বৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা কী কী সেগুলো চিহ্নিত করা হয় এবং সেগুলো উত্তরণের উপায়হ নিয়েও আলোচনা হয়। উক্ত আলোচনার মাধ্যমে ২০টি গবেষণার বিষয় চিহ্নিত করা হয় যেগুলো বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।  

এখন পর্যন্ত সুনীল অর্থনীতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে খণ্ডিতভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। 

উক্ত সংলাপে বাংলাদেশে সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতিতে কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করা যেতে পারে-এর ওপর গভীরভাবে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা হয়। বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন সুনীল অর্থনীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করার মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে সিদ্ধান্ত হয়।