আটা-ময়দার আগুনে চালেও উত্তাপ|360827|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৭ মে, ২০২২ ০০:০০
টাকায় আটায় পুঁজিতে ধাক্কা
আটা-ময়দার আগুনে চালেও উত্তাপ
রিয়াজ হোসেন, ঢাকা ও সুবল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম

আটা-ময়দার আগুনে চালেও উত্তাপ

ভারত থেকে গম রপ্তানি বন্ধের ঘোষণায় দেশের বাজারে আটা-ময়দার দামে উল্লম্ফন হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরেই একটু একটু করে বাড়ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দুটির দাম। তবে গত দুদিনের ব্যবধানেই খুচরা বাজারে আটার দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা করে আর ময়দার দাম বেড়েছে ৬-৭ টাকা করে। অন্যদিকে পাইকারি বাজারে মানভেদে প্রতি বস্তা আটা-ময়দায় ২০০-৪০০ টাকা বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতাদের ভাষ্য, পাইকারিতে দাম বাড়ায় তাদের বাধ্য হয়েই বেশি দাম রাখতে হচ্ছে। আর পাইকাররা দায় চাপাচ্ছেন মিলমালিকদের কাঁধে। তবে মিলমালিকদের অভিযোগ, দেশে যথেষ্ট মজুদ থাকলেও আমদানিকারকরা সিন্ডিকেট করে গমের দাম বাড়িয়েছেন। এতে আটা-ময়দার বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। যার প্রভাবে আটা-ময়দা দিয়ে তৈরি পাউরুটি, বিস্কুট, চানাচুর, নুডলসজাতীয় খাদ্যপণ্যের দামও বেড়েছে।

এদিকে আটা-ময়দার দামের প্রভাব পড়েছে চালের বাজারেও। সব ধরনের চালে বস্তাপ্রতি বেড়েছে ৫০-১০০ টাকা। একই সঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের মাংস ও গুঁড়াদুধসহ টয়লেট্রিজ পণ্যের দাম। এসব পণ্যে গত এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত দুদিনে মানভেদে বস্তাপ্রতি আটার দাম বেড়েছে ১০০-১৫০ আর গত এক মাসে বেড়েছে ২৫০-৩০০ টাকা। একই অবস্থা ময়দার। মাস ব্যবধানে বস্তাপ্রতি ময়দার দাম বেড়েছে ৬০০-৭০০ টাকা পর্যন্ত।

কারওয়ান বাজারে আটা-ময়দার পাইকারি বিক্রেতা জহির উদ্দিন বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে আটা-ময়দার দাম বাড়তি। বিশেষ করে ভারত থেকে গম রপ্তানি বন্ধের ঘোষণায় আরও একধাপ বেড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে যেসব আটা ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, আজকে (গতকাল) তা ২ হাজার ২০০-২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ২ হাজার ৫০০-২ হাজার ৬০০ টাকার ময়দা মানভেদে ৩ হাজার টাকার বেশি বিক্রি হচ্ছে।’

আটা-ময়দার ঘাটতি না থাকলেও কেন দাম বেড়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা মিলমালিকদের কাছ থেকে আটা-ময়দা সংগ্রহ করি। তারা দাম বাড়ালে আমাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হয়।’

এদিকে দুদিনের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের আড়তেও বেড়েছে আটা-ময়দার দাম। খুচরা বাজারে আটার দাম কেজিতে ১০ এবং ময়দার দাম ৮-১০ টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তা আটা-ময়দায় ৩০০-৩৫০ টাকা বেড়েছে।

নিতাইগঞ্জের পাইকারি বাজারে এক দিনের ব্যবধানে ৫০ কেজির বস্তার আটা ও ময়দার দাম বেড়েছে ২০০-২৫০ টাকা। ভালোমানের ৫০ কেজির আটার বস্তা এখন ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক দিন আগেও তা ১ হাজার ৯৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। নিম্নমানের আটা এখন ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক দিন আগে যার দাম ছিল ১ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে মানভেদে ২ হাজার ৪৮০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হওয়া ময়দার বস্তা এখন ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিতাইগঞ্জের ‘মেসার্স নূর জাহান ট্রেডার্স’ নামে পাইকারি আটা-ময়দা দোকানের স্বত্বাধিকারী শাহআলম হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিন আটা-ময়দার দাম বস্তাপ্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে বাড়ছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ৭০০-৮০০ টাকা বেড়েছে। গম সংকটের কারণে দফায় দফায় দাম বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।’

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে এক দিনের ব্যবধানে ৫০ কেজির বস্তার আটা ও ময়দার দাম বেড়েছে ৩৫০-৪০০ টাকা। ভালোমানের ৫০ কেজির আটার বস্তা এখন ২ হাজার ৬৫০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুয়েক দিন আগেও তা ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৩৫০ টাকা বিক্রি হয়েছে। নিম্নমানের আটা এখন ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে যার দাম ছিল ২ হাজার ১৫০-২ হাজার ২০০ টাকা। অন্যদিকে মানভেদে ২ হাজার ৩৫০ থেকে ২ হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া ময়দার বস্তা এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৫০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। সেই প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। ওই বাজারের আড়তদার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভারত থেকে গম রপ্তানি বন্ধ, ইউক্রেনে যুদ্ধ ও ডলারের রেট বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে আটা-ময়দার দাম কিছুটা বেড়েছে।’

তবে স্বল্পমেয়াদে ভারতের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত গম ইতিমধ্যেই আমদানি করা হয়েছে বা পাইপলাইনে রয়েছে। এই মুহূর্তে দেশের গমের মজুদ আগস্ট মাস পর্যন্ত টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট এবং এর আগে কোনো গম আমদানির প্রয়োজন হবে না।’

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বাংলাদেশের বার্ষিক গমের চাহিদা প্রায় ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন। যার মধ্যে বছরে গড়ে মাত্র এক মিলিয়ন মেট্রিক টন গমের উৎপাদন হয়। চাহিদার অবশিষ্টাংশ ভারত, রাশিয়া, ইউক্রেন, কানাডা, আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি করে মেটানো হয়।

এদিকে আটা-ময়দার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চালের বাজার। গত তিন দিনে সব ধরনের চালের বস্তাপ্রতি ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নাজিরশাইল। বর্তমানে এ চালটি মানভেদে ১ হাজার ৯০০-২ হাজার টাকা প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মিনিকেট চালের প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ১০০-৩ হাজার ২০০ টাকা। যা গত সপ্তাহেও ছিল ৩ হাজার টাকা। আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি বিক্রেতা মো. ফজলুল হক বলেন, ‘গত কয়েক দিনে চালের দাম বেড়েছে। চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে চালের সংকট দেখা দেবে। এতে করে সামনে চালের দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

নিয়ন্ত্রণে আসেনি সয়াবিনের বাজার : ঈদের আগে থেকে ভোজ্য তেল নিয়ে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, দাম বাড়ালেও বাজার এখন স্বাভাবিক হয়নি। বড় কয়েকটি বাজারে সরবরাহ সামান্য বাড়লেও পাড়া-মহল্লার বাজারগুলোতে বোতলজাত সয়াবিনের দেখা নেই। সব দোকানে নেই খোলা সয়াবিনও। বিক্রেতারা বরাবরের মতোই বলছেন, সরবরাহ না থাকায় সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন।

গত ৫ মে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে অন্তত ৪০ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেন মিলমালিকরা; যাতে সরকারেরও সায় মেলে। নতুন দর অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেলের খুচরা মূল্য ১৯৮ টাকা করা হয়। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮০ এবং পাম তেল ১৭২ টাকায় বিক্রির ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ না থাকায় কোথাও কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

সয়াবিন তেলের কারসাজির মধ্যেই বাড়িয়ে দেওয়া হলো সরিষার তেলের দাম। গত এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের সরিষার তেল ৪০-৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে খোলা সরিষার তেলের দাম লিটারে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত সরিষা তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী সরিষার তেল পাওয়া যাচ্ছে না। সয়াবিনের দাম বেড়ে যাওয়ায় দাম একটু বাড়তি হয়েছে। কারওয়ান বাজারের মুদি বিক্রেতা আনোয়ার বলেন, ‘সয়াবিন তেলের সংকট হওয়ায় সরিষার তেলের চাহিদা বেড়েছে। তবে হঠাৎ করে কেন সরিষা তেলের দাম বেড়েছে তা জানি না। এ বিষয়ে কোম্পানির লোক ভালো বলতে পারবেন।’

দাম বেড়েছে গুঁড়াদুধের : গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের গুঁড়াদুধের দাম বেড়েছে। কোম্পানিভেদে কেজিতে ৫০-৬০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানির গুঁড়াদুধের কেজি এখন ৬৯০ থেকে ৭৫০ টাকা। যা এক মাস আগেও বিক্রি হয়েছে ৬৮০-৭০০ টাকায়। একই সঙ্গে বেড়েছে পাস্তুরিত দুধের দাম। লিটারপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

পেঁয়াজ কেজিতে ১৫-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে : আমদানি বন্ধের ঘোষণার পর থেকে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১৫-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বড় বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা। আর পাড়া-মহল্লায় প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম রাখা হচ্ছে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা দরে।

কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, পাল্লাপ্রতি পেঁয়াজের দাম ২০০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে এ পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ৩০-৩৫ টাকায়। সরকার নতুন করে পেঁয়াজের আইপি (আমদানির অনুমতিপত্র) দিচ্ছে না। ফলে নতুন করে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি স্থলবন্দরের কাছাকাছি যে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা রয়েছেন তারা মজুদ করে এখন দাম বাড়াচ্ছেন। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩৯ শতাংশ।

দাম কমেনি গরুর মাংসের : ঈদের আগে বেড়ে যাওয়া গরুর মাংসের দাম এখন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগের মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়। আর হাড় ছাড়া গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৮৫০ টাকা। কারওয়ান বাজারের মাংস ব্যবসায়ী শাহ আলম বলেন, ‘গরুর মাংসের দাম কমার কোনো সুযোগ নেই। দেশের সব পণ্যের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে পরিবহন খরচ। যে দামে মাংস বিক্রি হয় তাতে সামান্য লাভ থাকে। দাম কমালে আমাদের ব্যবসা ছেড়ে দিতে হবে।’

ব্রয়লার মুরগির দাম চড়া : সপ্তাহ ব্যবধানে আবারও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮৫-১৯০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০-১৬৫। দাম বৃদ্ধির বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজিসহ মাছের সরবরাহ কম। ফলে ব্রয়লারের চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু সরবরাহ তুলনামূলক কম। এ কারণেই দাম বেড়েছে।’

এদিকে অন্যান্য পণ্যর সঙ্গে সব ধরনের টয়লেট্রিজ পণ্যের দামও বেড়েছে। ক্যাবের তথ্য অনুযায়ী, নিত্যব্যবহারের প্রসাধন পণ্যের দাম গত এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে কাপড় কাচা সাবানের দাম ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ বেড়েছে। ৫০ গ্রামের টুথপাউডার কৌটার দাম ১৫ থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা করা হয়েছে। দেশি একটি কোম্পানির টয়লেট পেপারের দাম এক বছরের ব্যবধানে ১৮ থেকে বেড়ে হয়েছে ২৫ টাকা। ২৩ টাকার বাসন পরিষ্কার করার সাবান হয়েছে ৩০ টাকা। ৪৫ টাকার আধাকেজি ডিটারজেন্টের দাম বেড়ে হয়েছে ৫৫ টাকা।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, ‘মিডিয়ার কল্যাণে ব্যবসায়ীরা এখন পৃথিবীর সব প্রান্তের খবর পাচ্ছেন। বিশেষ করে কখন কোন পণ্যের দাম বাড়বে তারা আগেই জেনে যাচ্ছেন। এ সুযোগ নিয়ে তারা দাম বাড়িয়ে যাচ্ছেন। তবে আমি মনে করি দেশে খাদ্য সংকট দেখা দেবে না। যেসব অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজারে সংকট তৈরি করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার এখন এসব বিষয়ে খুব কঠোর। এটাকে আরও জোরদার করতে হবে। বাজার স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের পলিসিতে পরিবর্তন আনতে হবে।’