হানিমুনে অ্যাম্বারকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন জনি!|360906|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৭ মে, ২০২২ ১৪:০৩
হানিমুনে অ্যাম্বারকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন জনি!
অনলাইন ডেস্ক

হানিমুনে অ্যাম্বারকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলেন জনি!

অ্যাম্বার হার্ড ও জনি ডেপ

হানিমুনে অ্যাম্বার হার্ডকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন অভিনেতা জনি ডেপ। এমনকি, মাদকাসক্ত ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ অভিনেতা সিগারেটের ছ্যাঁকা দিতেন স্ত্রীর গায়ে। আদালতে এমনই অভিযোগ করলেন ‘অ্যাকুয়াম্যান’ ছবির এ নায়িকা।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জানায়, এক সময় নিবিড় ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল তাদের— সে কথা মনে করলে ডুকরে কেঁদে ওঠেন অ্যাম্বার। বলেন, ভাবতে পারছেন না, সবকিছু এ ভাবে শেষ হয়ে যাবে! তিনি আজও ভালোবাসেন জনিকে, কিন্তু তিক্ততা এমন জায়গায় পৌঁছেছে, কিছুই যে আর ঠিক হওয়ার নয়।

দুজনের মধ্যে অশান্তি চরমে উঠেছিল ২০১৫ সালের পর থেকে, ২০১৭ সালে তা বিচ্ছেদে গড়ায়। তারপরও কাদা ছোড়াছুড়ি শেষ হয়নি। ৫০ লাখ ডলার খরচ করে অ্যাম্বারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকেছিলেন জনি। সেই মামলার শুনানি চলছে ভার্জিনিয়ার আদালতে।

আদালতে অ্যাম্বার জানান, তিনি যে এতদিন বেঁচে আছেন, সেটাই আশ্চর্য। ২০১৫ সালে হানিমুনে গিয়ে মৃত্যুভয় প্রত্যক্ষ করেছিলেন তিনি। জনি নাকি তাকে ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসের মধ্যেই গলা টিপে ধরেছিলেন। ঘাড় ধরে ফেলে দিতে গিয়েছিলেন চলন্ত ট্রেন থেকে।

অ্যাম্বারের দাবি, সেটাই ছিল শুরু। এর পর প্রায় প্রতি দিনই পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযোগ, জনি তার ওপর সব রকম অত্যাচার করতেন। সেই সঙ্গে সাবেক স্বামীকে মাদকাসক্ত ও স্বেচ্ছাচারী হিসেবেও উল্লেখ করেন অ্যাম্বার।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ‘চার্লি অ্যান্ড দ্য চকোলেট ফ্যাক্টরি’র অভিনেতা। তার পক্ষের উকিলরাও অ্যাম্বারকে প্রতিনিয়ত নিরস্ত করার চেষ্টা করে চলেছেন। তাদের পাল্টা অভিযোগ, অ্যাম্বার জনিকে হেনস্তা করেছেন। শয্যায় মলত্যাগ করা-সহ নানাভাবে অভিনেতার মান নষ্ট করেছেন।

এদিকে অ্যাম্বারের স্পষ্ট কথা, তর্ক-বিতর্ক তাদের মধ্যে চলতই, যেমন আরও পাঁচটা দম্পতির চলে। কিন্তু তর্ক করতে করতেই নাকি উত্তেজিত হয়ে পড়তেন জনি। একবার সোজা এসে ছুরি চালিয়ে দিয়েছেন অ্যাম্বারের গায়ে। জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিতেন তাকে, এমনটাও অভিযোগ করেন তিনি।

অ্যাম্বারের দাবি, জনিকে তিনি আজও ভালোবাসেন। কাউকে কিছু না বলে মেকআপের সাহায্যে ক্ষত ঢেকে ঘুরতেন। প্রয়োজনে মানসিক চিকিৎসকের কাছে গেছেন, তবুও জনির মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন কিছুই করেননি।