সিলেটে ৫ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত, পাঠদান বন্ধ|361138|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৮ মে, ২০২২ ২২:১৭
সিলেটে ৫ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত, পাঠদান বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে ৫ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত, পাঠদান বন্ধ

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। মহানগরীর একাংশ ও জেলার প্রায় সবগুলো উপজেলা বন্যা কবলিত।

মহানগর ও জেলার ৫ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। ২শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোলা হয়েছে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র। ফলে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

বুধবার জেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে, সরকারিভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধের এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত হতে পারে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ১ হাজার ৪৭৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে বুধবার দুপুর পর্যন্ত অন্তত ৪০০ টি বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ফলে এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, যেসব বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে, সেগুলোতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তবে পাঠদান বন্ধের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আসেনি।

তিনি আরও বলেন, যে বিদ্যালয়গুলোতে এখনো পানি ওঠেনি, সেগুলোকে প্রয়োজনে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ১৫০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় বন্যার পানি উঠেছে। এগুলোতেও পাঠদান বন্ধ রয়েছে। কানাইঘাট উপজেলার ৪২টির মধ্যে ৩৭টি, বিশ্বনাথে ৫১টির মধ্যে ৫টি, জৈন্তাপুরে ৩২টির মধ্যে ১২টি, সদরে ৯৫টির মধ্যে ১৮টি, গোয়াইনঘাটে ৪৮টির মধ্যে ১৮টি ও কোম্পানীগঞ্জে ২৬টির মধ্যে ১৫টি এবং দক্ষিণ সুরমা ও নগরে আরও ২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যায় প্লাবিত।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্লাবিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১৯৯টি ও নগরীতে ১৭টি বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার অনন্ত ২০টি কলেজও বন্যা কবলিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।