সাহস থাকলে নির্বাচন করুক: গয়েশ্বর |362404|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৫ মে, ২০২২ ১৭:০০
সাহস থাকলে নির্বাচন করুক: গয়েশ্বর
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাহস থাকলে নির্বাচন করুক: গয়েশ্বর

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না, নির্বাচন হবে না। চুপচাপ বসে থাকেন। কারো ইচ্ছা বাস্তবায়নের সুযোগ আপনাদের দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবো না। ওদের (আওয়ামী লীগ) সাহস থাকলে নির্বাচন করুক, আমাদের ক্ষমতা থাকলে প্রতিরোধ করবো।’

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে দেওয়া কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানোর দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনার উদ্দেশ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘এখনো সময় আছে খালেদা জিয়ার বাসভবনে গিয়ে ক্ষমা চান। আর অপকর্ম করবেন না। ক্ষমতা ছাড়ুন নিজে ভালো থাকুন, দেশবাসীকে ভালো রাখুন। তাতে হয়তো আপনার জন্য ভালো হবে। জনগণের এবং আমাদের পাশে এবং দেশে থাকতে পারবেন।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা গুম-খুন করতে পারবেন, জেলে ঢোকাতে পারবেন। কিন্তু দেশের মানুষের আহার নিবারণ করতে পারবেন না, এ ক্ষমতা শেখ হাসিনার নেই। দেশে যে দুর্ভিক্ষ দেখা দিচ্ছে, সেই দুর্ভিক্ষ হাত থেকে দেশের মানুষ রক্ষা পাবে না।

পুলিশের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, খুব সুন্দর ভাষায় পুলিশ আমাদের নামে মামলা দেয়। আমরা পুলিশের কর্তব্য বাধা দিচ্ছি, কী কর্তব্য করেন আপনারা? আপনারা একটা কর্তব্য পালন করেছেন জনগণের ভোট শেখ হাসিনাকে দিয়ে দিছেন। আপনারা যদি কর্তব্য পালন করেন নারী, শিশু ধর্ষণ হয় কেন? আপনারা যদি কর্তব্য পালন করেন জনগণকে পাহারা দেন তাহলে যেখানে-সেখানে ছিনতাই হয় কেন? এ যে ৩৫ লাখ মামলা করেছেন প্রতিটি মামলার এক একজন আইও (তদন্ত কর্মকর্তা) আছে। আর এ মিথ্যা মামলার কারণে আমরা হেনস্তার শিকার হচ্ছি, টাকা-পয়সা যাচ্ছে পরিবার হেনস্তার শিকার হচ্ছে। যারা আইও তারা যাবেন কোথায়? তাদের ঠিকানা তো সরকারিভাবে লিপিবদ্ধ করা আছে। সেটা মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, মঙ্গলবার ছাত্রদলকে মারধর করা হয়েছে— এ জন্য আমরা মর্মাহত। কিন্তু ধন্যবাদ ও সংগ্রামী অভিনন্দন জানাই যে তারা পাল্টা প্রতিরোধ করেছে। সুতরাং এখন থেকে যেখানে আঘাত আসবে পাল্টা প্রতিরোধ করতে হবে, আঘাত করতে হবে। এ আঘাত করার জন্য আমাদের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা পাকিস্তানকে পরাজিত করছি, এখন যারা লাফালাফি করে তাদের পরাস্ত করতে বেশি সময় লাগবে না।’

এ সময় আরও বক্তব্যে দেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক প্রমুখ।