logo
আপডেট : ১ অক্টোবর, ২০২২ ১১:১৯
বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিকে বাংলাদেশ
আলতাফ মাসুদ

বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিকে বাংলাদেশ

বিশ্ব-জনসংখ্যায় প্রবীণতার হার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি এবং দ্রুত তা ঘটছে। জাপান, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, পর্তুগাল প্রভৃতি দেশের জনসংখ্যায় ইতিমধ্যে বয়স্ক লোকের আধিক্য দেখা দিয়েছে। এ প্রবণতা এখন শুধু  ইউরোপ বা উন্নত অর্থনীতির দেশে সীমিত নয়। প্রবীণতা সব জনসংখ্যাকেই আচ্ছন্ন করছে, তবে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায়। বাংলাদেশও প্রবীণ লোকের দেশের তালিকায় ঢুকতে যাচ্ছে। দুই যুগ পরেই বাংলাদেশ রূপান্তরিত হবে ‘প্রবীণের সমাজে’।

দেশ গঠনে অবদান রাখা সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য বিভিন্ন দেশ স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করলেও বাংলাদেশে তা দেখা যায় না। মাসিক ৫০০ টাকা বয়স্ক ভাতা দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছে সরকার। তবে অতি সম্প্রতি বাংলাদেশ একটি সর্বজনীন পেনশন পলিসি গ্রহণ করেছে, যা এখনো প্রক্রিয়াধীন।

কোনো দেশের মোট জনসংখ্যার ১৪ শতাংশের বয়স যদি ৬৫ বা তার বেশি হয়, তাহলে সেই দেশকে ‘প্রবীণের দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই হিসেবে ২০৪৭ সালে বাংলাদেশ ‘প্রবীণের সমাজ’ বা ‘প্রবীণ দেশ’-এ রূপান্তরিত হবে। এই প্রক্রিয়া শুরু হবে মাত্র সাত বছর পর।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০২৯ সালে প্রবীণমুখিতার পর্যায়ে পৌঁছাবে। ‘বৃদ্ধ বা প্রবীণ’ পর্যায়ে রূপান্তরিত হতে বাংলাদেশের মাত্র ১৮ বছর লাগবে। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ যে গতিতে ‘বয়স্ক’ থেকে ‘বার্ধক্য’ পর্যায়ে পৌঁছবে তা উন্নত এশীয় ও সমৃদ্ধ ইউরোপীয় দেশগুলোর গতির চেয়ে বেশি হবে। এই রূপান্তরে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত রূপান্তরশীল সমাজ হবে। উন্নতির অনেক  নিচের ধাপে থেকে জনসংখ্যা-রূপান্তরের এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু ছিল ৪৮ বছর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান ২০২২ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭৪ বছর ৩ মাস। জনস্বাস্থ্যের উন্নতি, জীবনযাত্রার মানবৃদ্ধি এবং পুষ্টিকর খাবার দেশের মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়েছে। একদিকে গড় আয়ু বাড়ছে, অন্যদিকে প্রজনন হার কমছে। এ কারণেই বয়স কাঠামোতে পরিবর্তন ঘটছে, এক পর্যায়ে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়বে। এই অভিজ্ঞতা জাপানের হয়েছে। এখন চীন, সিঙ্গাপুরের হচ্ছে। সেই পরিস্থিতির মুখে বাংলাদেশকেও পড়তে হবে।

নাগরিকদের কর্মজীবন শেষ হয়ে গেলে তাদের মঙ্গল নিশ্চিত করতে একটি দেশের সামাজিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু করণীয় জরুরি হয়ে ওঠে। একই সময়ে অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় জনসংখ্যার পরিবর্তন না ঘটলে শ্রমশক্তির আকার কমবে, যারা অবসর নিয়েছেন তাদের চাহিদাপূরণের জন্য দেশটির অর্থনৈতিক সক্ষমতা সীমিত হবে। ‘বয়স্ক’ জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের কর্মক্ষম লোকসংখ্যা কমবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নতির পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা ও সঞ্চয় বাড়াতে বেশি জোর দিতে হবে। তা না হলে ‘বৃদ্ধ’ বা ‘প্রবীণ’দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে নাগরিক অধিকারসহ সামাজিক জীবনে অংশগ্রহণ অসম্ভব হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘যারা আয়-উপার্জন করে তাদের ওপরই বয়স্করা নির্ভরশীল থাকেন। এখন যারা কম বয়সী আছেন, তাদের কর্মসংস্থানে সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছি আমরা। কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে দরিদ্রতা কমে, সঞ্চয় বাড়ে বৃদ্ধ বয়সে তারা যেন খেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী বাড়বে, তাদের জন্য এখন সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ষাটোর্ধ্ব বয়সের সব বৃদ্ধরা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় সহায়তা পাবে, নব্বই বছরের ঊর্ধ্বে যারা তারা দ্বিগুণ হারে ভাতা পাবে।

বাংলাদেশে শ্রমিকের দক্ষতা কিংবা নিম্ন উৎপাদনশীলতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হলেও এক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অগ্রগতি নেই। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য বলছে, বাংলাদেশে শ্রমশক্তির উৎপাদনশীলতা না বেড়ে বরং গত দুই দশকে কমেছে। ২০০০-২০০৯ সালে দেশের শ্রমশক্তির উৎপাদনশীলতায় প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ শতাংশের মতো; ২০০৯ থেকে ২০১৯ সালে তা ৪ শতাংশের নিচে নেমেছে। করোনা অতিমারীর পর শ্রমিকের দক্ষতা তথা উৎপাদনশীলতা আরও কমেছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি-আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হয়েও এই খাতে শ্রমিকের উৎপাদনশীলতায় চীন, ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে বাংলাদেশের শ্রমিকের দক্ষতা সবার নিচে। চীনে একজন পোশাক শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা ৬৫ শতাংশ, বাংলাদেশে ৪০ শতাংশ।

শামসুল আলম বলেন, ‘উৎপাদনশীলতা বাড়াতে আমরা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। কারিগরি শিক্ষায় জোর দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’ 

স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা আরও করুণ। জিডিপির এক শতাংশেরও কম ব্যয় হয় স্বাস্থ্য খাতে। সিঙ্গাপুর, চীনসহ অনেক দেশ বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবায় আলাদা ব্যবস্থা নিলেও বাংলাদেশের এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতে জিডিপির দুই শতাংশ বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় দেশজ সঞ্চয় কমছে। জিডিপি যে হারে বাড়ছে, সঞ্চয় সেভাবে বাড়ছে না। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশজ সঞ্চয় ছিল ২৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, ২০২১-২২ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ২১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

প্রবীণ জনসংখ্যা, এই শতাব্দীর প্রধান সমস্যা। এটি উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় ধরনের দেশকেই প্রভাবিত করে বা করবে। এই সমস্যা মোকাবিলা করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এমনটা মনে করে না ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন (আইএসএসএ)।

জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের এই বিষয়টিতে বিশ্বের সব দেশ তাদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক ব্যবস্থায় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। প্রবীণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশগুলোর স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় বাড়ছে। বিপরীতে পেনশন ব্যবস্থার জন্য লোক কম। আইএমএফের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নত অর্থনীতিতে বেসরকারি ও সরকারি উভয় খাতে সঞ্চয় কমে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। আগামী ৩০ বছরে পেনশন বাবদ বেশি ব্যয় করতে হতে পারে। এসব দেশের অল্পবয়সীরা যদি আজকের অবসরপ্রাপ্তদের মতো পেনশন-সুবিধা ভোগ করতে চায়, তবে অনেক দিন ধরে তাদের আরও বেশি সঞ্চয় করতে হবে এবং কয়েক বছর অবসর স্থগিত করতে হবে।

সিনিয়র সিটিজেনদের স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক কর্মসূচি রয়েছে উন্নত দেশগুলোর। বড় অঙ্কের ব্যয়ও করতে পারছে তারা। সিঙ্গাপুর সিনিয়র সিটিজেনদের সম্মান জানাতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সিনিয়ররা যাতে তাদের স্বর্ণসময়কে উপভোগ করতে পারে, সক্রিয় ও অর্থপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, তা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যসেবা, বীমাসহ বিভিন্ন সুবিধার বাইরে অতিরিক্ত ১৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে তারা। সিঙ্গাপুর সিলভার প্রজন্মের স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা মেটাতে ২০১৫ সাল থেকে ৩ হাজার ৬০০টি ডে-কেয়ার, ২ হাজার ৬০০টি হোম কেয়ার এবং ৩ হাজার ৭০০টি নার্সিং হোম বেড তৈরি করেছে।

চীনে প্রবীণদের সুবিধাদি নিশ্চিতে তিনটি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে নীতিমালা ও প্রকল্প তৈরি করছে। চীনা সরকারের প্রবীণ যত্ন নীতি অনুযায়ী, ৯০ শতাংশ প্রবীণ বাড়িতে থাকার সুবিধা, ৭ শতাংশ মধ্যবর্তী সুবিধা এবং ৩ শতাংশ নার্সিং হোম সুবিধা পায় বা পাবে।

বাংলাদেশে প্রবীণদের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত ছয়টি প্রবীণ নিবাস আছে, যেগুলোতে ৫০ জন করে থাকতে পারে। বেসরকারি উদ্যোগে বেশ কয়েকটি বৃদ্ধাশ্রম আছে সাভার, গাজীপুরসহ কয়েকটি এলাকায়।

বাংলাদেশে প্রবীণদের সেবা বেসরকারি খাত থেকে হতে হবে বলে মনে করেন ড. শামসুল আলম। তিনি বলেন, ‘সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা অনেক সময় সফল হয় না। বেসরকারি খাত এখন প্রসারিত। অনেকে বিনিয়োগের জায়গা খুঁজছেন। বেসরকারি খাতকেই আমরা বেশি উৎসাহিত করব।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এখন উপার্জন করছেন, তারা একটু একটু করে সঞ্চয় করবেন। বৃদ্ধ বয়সে জমানো সঞ্চয়ের পাশাপাশি সরকারও সহায়তা দিলে তারা স্বেচ্ছা পেনশনে যেতে পারবেন। তাদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রণীত হয়েছে, এটি চালু হবে।’ 

সবচেয়ে বেশি প্রবীণের বাস মোনাকোতে। ছোট দেশটির মোট জনসংখ্যার ৩৬ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের বেশি। এরপর রয়েছে জাপান। জাপানের মোট জনসংখ্যার ২৯ দশমিক ৮ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের ওপরে। ২০৫০ সালে ৩৫টির বেশি দেশের অবস্থা জাপানের মতো হবে। প্রবীণদের পুনর্বাসন কিংবা দেখভালের জন্য কর্মীদের ঘাড়ে চাপ বাড়বে। এই পরিবর্তনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব সরকারি-বেসরকারি খাত উপেক্ষা করতে পারবে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রবীণ জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ বাস করবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০২১ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়কে ‘বার্ধক্যের দশক’ ঘোষণা করেছে। এর লক্ষ্য স্বাস্থ্যে বৈষম্য কমানো এবং সম্মিলিতভাবে প্রবীণদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবনমানকে উন্নত করা। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রতি ৬ জনের মধ্যে ১ জনের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি হবে। এই সময়ে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীর সংখ্যা ১৪০ কোটি হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে, বিশ্বে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে (২১০ কোটি)। ৮০ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তির সংখ্যা ২০৫০ সালের মধ্যে তিনগুণ হয়ে প্রায় ৪৩ কোটিতে পৌঁছাবে।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে ১৯৬০ সালে একজন প্রবীণ নির্ভরশীলের বিপরীতে ২০ জন কর্মক্ষম ব্যক্তি ছিলেন, ২০১৯ সালে তা ১৩তে নেমেছে। ২০৪০ সালে প্রতি ৬ জন কর্মক্ষম ব্যক্তির বিপরীতে একজন প্রবীণ নির্ভরশীল থাকবে। আর ২০৬৫ সালে প্রতি তিনজন সমর্থ ব্যক্তির বিপরীতে একজন নির্ভরশীল প্রবীণ থাকবে।

বিশ্বে প্রবীণ জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দৈহিকভাবে সমর্থ প্রবীণদের কাজে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে অনেক দেশ। জাপান ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য তার নাগরিকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৬তে উন্নীত করে। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে নাগরিকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৬ থেকে ৬৭তে উন্নীত করবে তারা। ২০৩৭ থেকে ২০৩৯ সালের মধ্যে অবসরের বয়সসীমা ৬৮তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুসারে আগামীতে অবসরভাতাপ্রাপ্তির বয়সসীমা ৬০+ থেকে বাড়িয়ে ৬৫+ করার কথা বিবেচনা করা হবে।