সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ শাওয়াল ১৪৪১

"এসো হে বৈশাখ" গানে মুখরিত হয়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে এবারের বৈশাখ আসেনি। পুরনো গ্লানিকে মুছে দিতেও আসেনি এবারের বৈশাখ। বৈশ্বিক এই মহামারিতে বেঁচে থাকাটাই এখন দুঃস্বপ্ন। তাইতো গৃহবাসী সকলেই নিজ নিজ গৃহে পালন করছে পহেলা বৈশাখ। কেউ আসেনি এই চিরচেনা জায়গায় বৈশাখ উদযাপনে। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
"এসো হে বৈশাখ" গানে মুখরিত হয়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে এবারের বৈশাখ আসেনি। পুরনো গ্লানিকে মুছে দিতেও আসেনি এবারের বৈশাখ। বৈশ্বিক এই মহামারিতে বেঁচে থাকাটাই এখন দুঃস্বপ্ন। তাইতো গৃহবাসী সকলেই নিজ নিজ গৃহে পালন করছে পহেলা বৈশাখ। কেউ আসেনি এই চিরচেনা জায়গায় বৈশাখ উদযাপনে। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
"এসো হে বৈশাখ" গানে মুখরিত হয়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে এবারের বৈশাখ আসেনি। পুরনো গ্লানিকে মুছে দিতেও আসেনি এবারের বৈশাখ। বৈশ্বিক এই মহামারিতে বেঁচে থাকাটাই এখন দুঃস্বপ্ন। তাইতো গৃহবাসী সকলেই নিজ নিজ গৃহে পালন করছে পহেলা বৈশাখ। কেউ আসেনি এই চিরচেনা জায়গায় বৈশাখ উদযাপনে। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
"এসো হে বৈশাখ" গানে মুখরিত হয়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে এবারের বৈশাখ আসেনি। পুরনো গ্লানিকে মুছে দিতেও আসেনি এবারের বৈশাখ। বৈশ্বিক এই মহামারিতে বেঁচে থাকাটাই এখন দুঃস্বপ্ন। তাইতো গৃহবাসী সকলেই নিজ নিজ গৃহে পালন করছে পহেলা বৈশাখ। কেউ আসেনি এই চিরচেনা জায়গায় বৈশাখ উদযাপনে। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
"এসো হে বৈশাখ" গানে মুখরিত হয়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে এবারের বৈশাখ আসেনি। পুরনো গ্লানিকে মুছে দিতেও আসেনি এবারের বৈশাখ। বৈশ্বিক এই মহামারিতে বেঁচে থাকাটাই এখন দুঃস্বপ্ন। তাইতো গৃহবাসী সকলেই নিজ নিজ গৃহে পালন করছে পহেলা বৈশাখ। কেউ আসেনি এই চিরচেনা জায়গায় বৈশাখ উদযাপনে। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।

শেয়ার করুন