মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

ছোট্টবেলা মিস করি। বেশীরভাগ পুজা আমরা মামার বাড়ীতে করতাম।বড়মামা আমাদের দুবোনকে একরকম জামা গিফ্ট করতো। জামা হাতে পেয়েই অস্থির হয়ে যেতাম কখন নতুন জামাটা পরবো আর অন্জলী দেবো। আর মজার মজার সব খাবারের আয়োজন- এগুলো খুব মিস করি। আমার দাদু দিদিমাকেও ভীষন মিস করি। পোশাক:খুঁজে দিন ডট কম। সাজ: শোভন মেকওভার। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
পুজায় ক্রাশ ব্যাপারটা কমন। একদল ছেলে বেরই হয় মেয়ে দেখতে, কেউবা বিয়ের জন্য পাত্রীও খোঁজে। আর মেয়েরাও সেজেগুজে বেরিয়ে আড়চোখে কম ছেলে দেখেনা !! তো এই দেখাদেখির মাঝেই ক্রাশ খাওয়ার ঘটনা ঘটে যায়। বালিকা বয়সে এমন হালকাপাতলা ক্রাশ আমারও হয়েছে। তবে সেগুলো ঐ দেখাদেখি পর্জন্তই। পোশাক:খুঁজে দিন ডট কম। সাজ: শোভন মেকওভার। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
পুজোতে ঐতিহ্যবাহি বাঙালী সাজ ভালো লাগে। শাড়ী-কুর্তি-ধুতি, সাথে ম্যাচিং ট্রেডিশনাল গয়না। অন্জলী নেবার সময় মন চায় ফেমেলীর সবাই একই রকমের ড্রেস পরি। সবাই না হলেও আমার বোন তার হাসব্যান্ড আর বাচ্চাদের একই রকম পোষাক উপহার দেই। তবে সবাই সেদিন নতুন পোষাক পরি । আর পুজার পোষাকের রং সাধারণত লাল, সাদা, হলুদ,গেরুয়া এগুলোর প্রাধান্য দিয়ে থাকি। পোশাক:খুঁজে দিন ডট কম। সাজ: শোভন মেকওভার। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
পুজোর খাবারের স্পেশালিটি হলো প্রসাদ। প্রসাদ মিস করিনা।এছাড়া মায়ের হাতের পায়েস, সব্জি, লুচি, নারকেলের তকতী এগুলো ভীষন পছন্দের। পোশাক:খুঁজে দিন ডট কম। সাজ: শোভন মেকওভার। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
আলাদা করে ঘুরতে যাওয়া হয়না কারন মন্ডপে মন্ডপে ঘুরেই সময় থাকেনা। আমি আমার ফ্যামেলীর সাথে ঘুরতে পছন্দ করি।সবাই মিলে বিভিন্ন পূজা দেখি, খাই দাই আবার মাঝে মাঝে কাছাকাছি আত্মীয় স্বজনদের বাড়ী বেড়াই। পোশাক:খুঁজে দিন ডট কম। সাজ: শোভন মেকওভার। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।
নিজেকে দশ বছর পর দেখতে চাই পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভালো আছি। আমার খামারের গাছপালা, ফুলপাখিদের সাথে কথা বলছি আর কখনো সখনো আমার অস্কার প্রাপ্তির ক্রেস্টটা এদের দেখাই, আমিও দেখি। পোশাক:খুঁজে দিন ডট কম। সাজ: শোভন মেকওভার। ছবি: আবুল কালাম আজাদ।

শেয়ার করুন