যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়ে এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশনে মৃত্যু কার্যকর অধিক কষ্টদায়ক এমন যুক্তিতে ইলেকট্রিক চেয়ারকেই বেছে নেন দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তি।
বিবিসি জানায়, ৩৬ বছর ধরে কারাগারে থাকার পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় ডেভিড এয়ার্ল মিলার নামে ওই বন্দির।
এর আগে একাধিক বন্দির ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কষ্টদায়ক ছিল এবং সেইসঙ্গে এটি তাদের শরীরকে বেশিমাত্রায় অকেজো করে দিয়েছিল- এ যুক্তি দেখিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে মিলার ইলেক্ট্রিক চেয়ারকেই বেছে নেন।
অঙ্গরাজ্যের এক মুখপাত্র জানায়, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১টা ২৫ মিনিটে নাশভিলের রিভারবেন্ড মেক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনে মিলারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। ১৯৮১ সালে ২৩ বছর বয়সী এক মানসিক রোগী নারীকে হত্যা করার দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল।
অঙ্গরাজ্যটিতে নভেম্বরেও এডমুন্ড যাগোরসকি নামে আরেক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় ইলেকট্রিক চেয়ারের মাধ্যমে। তবে এডমুন্ডের আগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ইলেকট্রিক চেয়ার ব্যবহার করা হয়েছিল ২০১৩ সালে।
যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যে ইলেকট্রিক চেয়ারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নিয়ম নেই। জর্জিয়া এবং নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের আদালত এটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। দেশটিতে ১৮৯০ এর দশক নাগাদ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতো। এরপর ইলেকট্রিক চেয়ারের ব্যবহার বাড়ে। ১৯৮২ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দেশটিতে প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন ব্যবহার শুরু হয়।