পুলিশের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

মেহেরপুরে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আবদুল সামাদ বাঁধনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে জেলা স্টেডিয়াম মাঠে হামলার এ ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক অন্যরা হলো ছাত্রলীগকর্মী ইব্রাহীম (১৭), শিশির (১৮) ও আশিক (১৬)। প্রত্যক্ষদর্শীরা ও মেহেরপুর সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুর স্টেডিয়াম মাঠে জেলা প্রশাসন আয়োজিত বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় ইব্রাহীম হোসেন নামে এক ছাত্রলীগকর্মী ভূমি অফিসপাড়ার সুরুজ আলীকে মারধর করে। পরে পুলিশ মারধর ও উত্তেজনা থামাতে ইব্রাহীমকে আটক করে। স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের কাছ থেকে ইব্রাহীমকে জোরপূর্বক ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময়
পৃষ্ঠা ২ কলাম ৪

 

পুলিশের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ওসিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। তাদের সঙ্গে থাকা রড ও লাঠি নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। তিনি আরো জানান, রড ও লাঠির আঘাতে পুলিশ সদস্য রনির ডান হাত ও পা ভেঙে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রলীগ সভাপতি বাঁধনসহ চারজনকে আটক করা হয়।
সদর থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, আটকদের বিরুদ্ধে থানায় সরকারি কাজে বাধা, হামলাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের পুলিশ খুঁজছে। এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মৃদুল, সাবেক সভাপতি লিজন, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানাসহ একাধিক নেতা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।