নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের পক্ষে এখনো মাঠে নামেননি দলের একাংশের নেতাকর্মীরা। বিএনপির একটি অংশের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগে যোগদান করে নৌকা মার্কার অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের পক্ষে কাজ করছেন। কোন্দল ভুলে মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও। ভোটের মাঠে বকুলকে রুখতে একজোট হয়ে কাজ করছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাংশ। দলীয় কোন্দলের খেসারতও দিতে হচ্ছে ধানের শীষের প্রার্থীকে।
মনোহরদী ও বেলাব উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানায়, বকুল ১/১১-এর সময়ে বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে বিএনপি থেকে ছিটকে পড়েন। এ আসনে বিএনপির হাল ধরেন লে. কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির টিকিট নিয়ে নির্বাচনও করেন সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা। সংস্কারপন্থি ও দীর্ঘদিন দলীয় কার্যক্রম থেকে দূরে থাকা বকুলকে নির্বাচনের দুই মাস আগে দলে অন্তর্ভুক্ত করে মনোনয়ন দেওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন দীর্ঘদিন দলের হাল ধরে রাখা বিএনপির কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবেদীন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কাদের ভূঁইয়া জুয়েল। নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন তাদের অনুসারীরাও। সম্প্রতি দুই উপজেলা বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ও তাদের কর্মীরা আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তাদের মধ্যে মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন মাষ্টার, কৃষক দলের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির চেয়ারম্যান, শুকুন্দী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, বিএনপি নেতা বাকীউল ইসলাম বাকী এবং বেলাব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি সদস্য স্বপন মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর ইসলাম হানিফ ও বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ অন্যতম। মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমি পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছি।’