প্রথম সন্তান নিয়ে নাগোয়া শহরের সংকীর্ণ ফ্ল্যাটে বেশ অসুবিধায় ছিলেন কাসুরি ও কারোই ওসাকা। জাপানের অধিকাংশ দম্পতির মতো তারাও বেশ কষ্ট করে শহুরে ব্যয়বহুল জীবন-যাপন করছিলেন। কিন্তু ওসাকা দম্পতি নাগি শহরে স্থানান্তরিত হলে তাদের জীবনের চিত্রপটই পাল্টে যায়।
জাপানের অন্যান্য শহর যখন জন্মহার সংকটে ভুগছে, তখন নাগি শহর এই সমস্যামুক্ত। এই শহরে কোনো দম্পতি বাস করলে তাদের সন্তান নেওয়ার জন্য রীতিমতো অর্থ দেওয়া হয়। প্রতি পরিবারকে শহর কর্র্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাদের প্রথম সন্তানের জন্য ৮৭৯ ডলার এবং দ্বিতীয় সন্তানের জন্য এক হাজার ৩৩৫ ডলার দেওয়া হয়। এ ছাড়া তৃতীয় এবং চতুর্থ সন্তানের জন্য দেওয়া হয় তিন হাজার ৫১৮ ডলার।
এখন নাগিতে প্রতি পরিবারে অন্তত তিনের অধিক শিশু রয়েছে, কারণ তারা ওই শিশুদের ভরণপোষণ করতে পারছে। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে শহরটির জন্মহার অনেক বেড়ে যায়। বর্তমানে নাগির জন্মহার কিছুটা কমে দুই দশমিক ৩৯ শতাংশে দাঁড়ালেও তা জাতীয় জন্মহারের তুলনায় ১ দশমিক ৪৬ গুণ বেশি। সূত্র : সিএনএন