নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূকে (৩৫) গণধর্ষণের ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে চরজব্বর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে জসিম উদ্দিন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যা ছয়জনে দাঁড়িয়েছে।
চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জসিম মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তবে তদন্তে তার নাম এসেছে।
এর আগে প্রধান আসামি সোহেল ও ‘মূলহোতা’ রুহুল আমিনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফ জানান, পাঁচ আসামি- রুহুল আমিন মেম্বার, সোহেল, স্বপন, বেছু, বাশু ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
আটকের পর বুধবার রাত ৮টায় ডিবি অফিসের নোয়াখালী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সোহেল ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যরাতে নারকীয় কাহিনীর বর্ণনা দেন।
সোহেলের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন দুপুরে ওই গৃহবধূ ভোট দিতে আসলে তার সঙ্গে ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাগ্বিতণ্ডা হয়। তারপর রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ভুলু মিয়া নেতার নির্দেশে সে, হানিফ, স্বপন, চৌধুরী মিয়া, বেছু, বাছু প্রকাশ কুড়াল্যা বাশু, আবুল, মোশারফ, সালাহ উদ্দিন এবং আরও ২-৩ জন ওই গৃহবধূর বাড়িতে যায় এবং তার স্বামীকে ঘরের দরজা খুলতে বলে।
পুলিশ আরও জানায়, দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে তারা (আসামিরা) একযোগে ঘরে ঢুকে পড়ে এবং স্বামী ও ছেলেমেয়েকে বেঁধে ফেলে। এরপর গৃহবধূকে বাইরে বের করে এনে ধর্ষণ করে।
নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পরদিন ৩১ ডিসেম্বর ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে চরজব্বর থানায় গৃহবধূর স্বামী মামলা করেন।