আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ

মজুরি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তা সংশোধনের দাবিতে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় বিক্ষোভ করেছে তৈরি পোশাক শ্রমিকরা। এসময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারশেল ব্যবহার এবং লাঠিপেটা করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেন।

তবে শ্রমিকরা পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিক্ষিপ্তভাবে মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে প্রায় ২০টি গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর চালায়।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন শ্রমিক আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

শিল্প পুলিশ ও শ্রমিকরা জানায়, সকাল ৯টার দিকে আশুলিয়ার বেরণ এলাকার ইয়াগী বাংলাদেশ লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় তাদের সঙ্গে যোগ দেয় স্থানীয় স্টারলিং ও উইন্ডি অ্যাপারেলস এবং এআর জিন্সসহ বেশ কয়েকটি কারখানার কয়েক হাজার শ্রমিক।

একপর্যায়ে শ্রমিকরা বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়ক অবরোধের চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করে এবং লাঠিপেটা করে।

শিল্প পুলিশের এসপি সানা শামিনুর রহমান জানান, ‘শ্রমিকরা প্রায় ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করে। এসময় আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।’

বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এছাড়া শিল্প এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আট প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে বলে জানান তিনি।