আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ঝোড়ো ছিল খুলনা টাইটান্সের। পরে ছন্দ হারানোর পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ডেভিড মালান দারুণ খেললেন। কিন্তু শেষের ওভারগুলোতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারলেন না। বরং তাদের দুজনকেই পর পর দুই বলে ফিরিয়ে খুলনা টাইটান্সকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়তে দেয়নি চিটাগং ভাইকিংস।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চিটাগং ভাইকিংসকে ১৫২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে প্রথম জয়ের সন্ধানে থাকা খুলনা টাইটান্স। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা ৬ উইকেটে ১৫১ রান সংগ্রহ করে।
খুলনা তিন ম্যাচ খেলে এখনো জয়ের দেখা পায়নি। অন্য দিকে দুই ম্যাচের একটি করে জয় ও হার মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন চিটাগংয়ের।
খুলনার দুই ওপেনার পল স্টার্লিং ও জুনায়েদ সিদ্দিকির শুরুটা ছিল দারুণ। প্রথম দুই ওভারেই স্কোর বোর্ডে ৩০ রান যোগ করেন দুজন। স্টার্লিং ছিলেন বেশি ভয়ানক। তবে দলীয় তৃতীয় ওভারেই আক্রমণে এসেই তাকে ফেরান নাঈম হাসান। খুলনার ৩১ রানের উদ্বোধনী জুটির পতন তাতে।
স্টার্লিং ১০ বলে দুই বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ১৮ রান করেন । জুনায়েদ সিদ্দিকিও স্থায়ী হতে পারেননি বেশিক্ষণ। টানা চার ম্যাচ শুরুটা দারুণ করেও আউট তিনি। রবি ফ্রাইলিঙ্কের ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে মোসাদ্দেকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জুনায়াদে। তার আগে ১৫ বলে ২০ রান করেন দুই চার ও এক ছক্কায়।
এরপর ডেভিড মালান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের তৃতীয় উইকেট জুটি এগিয়েছে ধীরে। দুজনের ৭৭ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১১৮ রানে মালান ফেরেন ৪৫ রান করে। আবু জায়েদ রাহির বলে সিকান্দার রাজার হতে ক্যাচ হন। তার ৪৩ বলের ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কা।
এরপর মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে জুটি বেধে কার্লোস ব্র্যাথওয়েট যোগ করেন ১৪ রান। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে ব্র্যাথওয়েট ১২ রান করে ফেরেন সানজামুল ইসলামের শিকার হয়ে। পরের বলে মাহমুদউল্লাহকেও ফিরিয়ে দেন সানজামুল। ৩১ বলে চার বাউন্ডারিতে খুলনার অধিনায়ক করেন ৩৩ রান।
ফলে খুলনার রানটা আরো বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সেটি হয়নি। ছয় নম্বরে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত ৬ রান করেন। আরিফুল হক ৯ ও মহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
চিটাগংয়ের পক্ষে সর্বাধিক ২ উইকেট নিয়েছেন সানজামুল। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন ফ্রাইলিঙ্ক, নাঈম, খালেদ ও রাহি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
খুলনা টাইটান্স: ১৫১/৬ (২০ ওভার) (স্টার্লিং ১৮, জুনায়েদ ২০, মালান ৪৫, মাহমুদউল্লাহ ৩৩, ব্র্যাথওয়েট, ১২; সানজামুল ২/৩৭)।